বাংলাধারা প্রতিবেদন »
নগরীর দেওয়ান হাটে মধ্যম সুপারিওয়ালাপাড়া এলাকায় এ আর চট্টলা কেমিক্যাল নামক একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ক্ষতিকর নকল সুরক্ষা সামগ্রী তৈরী ও বাজারজাতকরণ করায় কারখানা মালিককে জরিমানাসহ ছয় মাসের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) দুপুর ১২ টা হতে ৪ টা পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক বাংলাধারাকে জানান, এ.আর চট্টলা কেমিক্যাল নামক প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন নামীদামী ব্রান্ড এর হ্যাক্সিসল নকল করে বানাচ্ছিলো। আমরা প্রতিষ্ঠানটির খোঁজ করি কিন্তু তাদের সাইনবোর্ড ও ঠিকানা না থাকায় অবস্থান জানতে কিছুটা বেগ পেতে হয়।
তিনি বলেন, ছদ্মবেশে এলাকার মানুষের কাছে খোঁজ নিয়ে জানা যায় বাজারে সয়লাব করা নকল হ্যন্ড সানিটাইজারের মূল কারখানার ঠিকানা। গলির ভিতর বড় একটি টিনশেডের বদ্ধঘরে সকল প্রকার মালামাল একত্রে রেখে নিজেদের তৈরী স্যানিটাইজার, স্যাভলন, হারপিকসহ বিভিন্ন সুরক্ষা সামগ্রী বোতলজাত করে বাজারজাত করে আসছে। এ অপরাধে এ আর চট্টলা ক্যমিকেলের মালিক মোঃ রাশেদকে ৬ (ছয়) মাসের কারাদণ্ড ও ৫০০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ডসহ উভয় দন্ডে দন্ডিত করা হয়।
তিনি আরও বলেন, এর আগে রিয়াজউদ্দিন বাজারে ও হাজারী লেইনে অভিযানে এ প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিকর ও নকল সুরক্ষা সামগ্রী জব্দ ও ধ্বংস করেছিলাম। এসব ক্ষতিকর ও নকল সুরক্ষা সামগ্রী মানুষের উপকারে না এসে বরং মারাত্মক ক্ষতিকর যা মানুষের ত্বকে ক্যান্সার সৃষ্টিতে সহায়ক। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্যে এসব অপকর্ম করে যাচ্ছে। যার ফলে তাদের আইনের আওতায় নিতে আমরা তৎপর আছি।
ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হোসাইন মোহাম্মদ ইমরান বাংলাধারাকে বলেন, নকল হ্যান্ডরাব, হ্যান্ড স্যানিটাইজার,স্যাভলন ও হারপিক তৈরী করা হচ্ছিল। এগুলোর ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কোন অনুমোদন নেই। কোন ধরনের ল্যাব টেস্ট করার ব্যবস্থা নেই।খালি বোতল, লেবেল কার্টুন নিজেরা বাজার থেকে কিনে রং,ফ্লেভার, স্পিরিট ইত্যাদি মিশ্রিত করে নামীদামী কোম্পানির মতো হুবহু নকল করে আসছিলো যা খুবই ক্ষতিকর।
জনস্বার্থে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালতের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান মোঃ উমর ফারুক।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম












