বাংলাধারা প্রতিবেদন »
নগরীর ফিরিঙ্গিবাজারে ১০ এপ্রিল শনাক্ত হওয়া করোনা পজেটিভ রোগীর মধ্যে একজন ফিরিঙ্গিবাজারের শিববাড়ি লেইনের বাসিন্দা। ৫০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি পেশায় একজন কাঠ ব্যবসায়ী। কাঠের এক্সপোর্ট- ইমপোর্ট ব্যবসায় সম্পৃক্ত এই ব্যক্তি গত মার্চে সৌদি আরব থেকে ফিরেছেন ওমরা করে— এমনটাই জানা গেছে স্থানীয় সূত্রে। গত কয়েকদিনে ৫০ জনেরও বেশি মানুষের সংস্পর্শে এসেছিলেন।
জানা গেছে, গত ৮-১০ দিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন আক্রান্ত ব্যক্তি। এই সময়ে কিছুদিন পরিবারের সবার থেকে আলাদা হয়ে হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন তিনি— এমনটাই দাবি তার পরিবারের। এই সময়ের মধ্যে তিনি চট্টগ্রামের ন্যাশনাল হাসপাতালেও চিকিৎসা নিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
করোনা আক্রান্ত ওই কাঠ ব্যবসায়ীর তিনজন কর্মচারীর বাড়ি কর্ণফুলী থানার খোয়াজনগরে। ব্যবসায়িক কাজে ওই তিন কর্মচারীর তার সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তাদেরকে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে নির্দেশ দিয়েছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ। একইভাবে তাকে চিকিৎসা দেওয়া ৩ ডাক্তারকেও কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন জানিয়েছেন, গত কয়েকদিনে ফিরিঙ্গিবাজারের ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা লোকের সংখ্যা ৫০-এরও বেশি।
চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. ফজলে রাব্বী জানিয়েছেন, গত দুই মাসে বিদেশ গমনাগমন কিংবা কোন বিদেশির সংস্পর্শে আসার হিস্ট্রি নেই ফিরিঙ্গিবাজারে আক্রান্ত ব্যক্তির। তবে এই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আমরা পুলিশকে অনুরোধ করবো। প্রসঙ্গত দামপাড়ায় শনাক্ত হওয়া চট্টগ্রামের প্রথম করোনা রোগীর হিস্ট্রিতেও বিদেশি কারও সংস্পর্শে আসার তথ্য ছিল না। পরে জানা গেছে তথ্য গোপন করেছিলেন তিনি।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম












