শাহ আব্দুল্লাহ আল রাহাত»
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বছরের প্রথম নিলামে দরপত্র গ্রহণের শেষ দিন বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি)। এছাড়া, আগামী রবিবার (২৩ জানুয়ারি) দরপত্র খোলার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
নিলামে ৬৩ লট পণ্য থাকলেও গত ১৯ জানুয়ারী আরো এক লট পণ্য বাড়ানো হয়েছে। সব মিলিয়ে ৬৪ লট পণ্যর মধ্যে চাহিদা অনুযায়ী বিড করতে দরপত্র সংগ্রহ করেছে বিডাররা।
৬৪ লট পণ্যের ভিতর গাড়ি,ক্যামিকেল,ফুড স্টাফ মেশিনারজি,মোটর পার্টস,আইরনসহ অন্যান্য পণ্য ছাড়া আছে সুস্বাদু ড্রাগন এবং অ্যাভোকাডো ফল। দেশে ফল গুলোর যথেষ্ট চাহিদা থাকলেও তেমন চাষ না হওয়ায় আমদানি করা হয় বিভিন্ন দেশ থেকে।
২০২১ সালে ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি হওয়ার পর ফলের পণ্যটি খালাস না হওয়ায় নিলামে উঠানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ১৮টি পিকেজিএস ড্রাগন এবং অ্যাভাকাডো ফল রয়েছে প্রায় ১৫ হাজার কেজি। যার সংরক্ষিত মূল ধরা হয়েছে ৩৯ লাখ ৫০ হাজার ৪ শত ৩৭ টাকা ৯০ পয়সা। ফলের পণ্যটি বন্দর ইয়ার্ডের Y-CCT এ সংরক্ষিত আছে। এর আগেও ১৩ বার নিলামে ওঠেছে ড্রাগন এবং অ্যাভোকাডোর পণ্যগুলো।
বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০১৯-২০২০ সালে দেশে ৩ কোটি টাকা দামে ফলের চারা কলমের বিক্রি । ২০২০-২০২১ তা বেড়ে চারা কলম বিক্রির মাত্রা দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৪০ লাখ টাকার মতো। তার মধ্যে বিদেশী ফলের চারা ও অনেক।
দেশীয় বাজারে যে কয়েকটি বিদেশী ফলের চাহিদা ব্যাপক তাদের মধ্যে ড্রাগন এবং অ্যাভোকাডো অন্যতম। ড্রাগনের চাহিদা থাকায় এই ফলগুলা আমদানি করছেন অনেক ফল ব্যবসায়ী। বিদেশী ফল অ্যাভোকাডোর চাহিদা ও বাড়ছে দেশীয় বাজারে তবে এটির দাম ও ব্যয়বহুল।ভাল মানের কোলেস্টেরলের জন্য এটি বিশ্বে বেশ জনপ্রিয়। জুলাই-অগাস্ট মাসে এটির ফলন হয়। বছরে একবার ফলন দেয় এটি।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজ নিলাম শাখার সহযোগী ব্যবস্থপনা প্রতিষ্ঠান মেসার্স কে এম কর্পোরেশন এর মোর্শেদ বাংলাধারাকে বলেন,বিডাররা তাদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্যের জন্য দরপত্র জমা দিয়েছেন।বিদেশী ফলের চাহিদা রয়েছে বাজারে।ফল ব্যবসায়ীদের আগ্রহের কেন্দ্র বিন্দু লটের ৪ নং পণ্যটি।যেখানে বিদেশী ফল ড্রাগন এবং অ্যাভাকাডো ফল রয়েছে।তিনি আরো জানান,দরপত্র খোলার আগ পর্যন্ত বলা যাবে না কার চাহিদা কোথায়।
বাংলাধারা/এসএএআর/এফএস












