বাংলাধারা ডেস্ক »
১১ দফা দাবিতে সারাদেশে লাগাতার কর্মবিরতি শুরু করেছেন নৌযান শ্রমিকরা। শুক্রবার(২৯ নভেম্বর) রাত ১২টার পর থেকে এ কর্মবিরতি শুরু হয়। ধর্মঘটের কারণে ঢাকাসহ দেশের ৪৩টি রুটে নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছেন নৌযান শ্রমিক নেতারা।
নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাহ আলম জানান, ১১ দফা দাবি আদায়ে তারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। লঞ্চ মালিকপক্ষ ও সরকারের প্রতিনিধিরা শুধু আশ্বাসই দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু বাস্তবায়ন করেনি। তাই শ্রমিকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটে যাচ্ছে। এর আগে ধর্মঘটের ডাক দিলে দাবি পূরণ করে দেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়েছিল। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো দাবিদাওয়া পূরণ করা হয়নি বলেও জানান তিনি।
তবে তার এ অভিযোগের বিষয়ে অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল ও যাত্রী পরিবহন সংস্থা বলছে, নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘটে যাওয়া অযৌক্তিক। কারণ তাদের মূল দাবিগুলো মেনে নিয়ে লঞ্চ মালিকপক্ষ ২০১৬ সালে নৌযান শ্রমিকদের সঙ্গে পাঁচ বছরের একটি চুক্তি করেছিল। ২০২১ সালে সে চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে।
এদিকে, ধর্মঘটের প্রথম দিন শনিবার(৩০ নভেম্বর) সকালে মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের পাল্টাপাল্টি অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে। মালিক পক্ষের হস্তক্ষেপে সকালে স্বল্প সংখ্যক লঞ্চ সদরঘাট থেকে চাঁদপুর ও শরিয়তপুরের উদ্দেশে যাত্রা করলেও শঙ্কা কাটছে না দূরপাল্লার লঞ্চ চলাচল নিয়ে। শ্রমিক সংগঠনের ধর্মঘটকে অযৌক্তিক দাবি করে মালিকপক্ষ বলছে, লঞ্চ যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে শক্ত অবস্থানে থাকবেন তারা।
অন্যদিকে, সকালে ঢাকা থেকে কিছু লঞ্চ ছেড়ে গেলেও ভিন্নচিত্র দেখা গেছে বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম












