ইলিয়াছ সুমন, সন্দ্বীপ»
সন্দ্বীপ উপজেলার মগধরা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড থেকে ৯ নং ওয়ার্ড পর্যন্ত প্রায় ৯ কিলোমিটার কমলা সড়ক। এ সড়কে পানি জমে ইট রড উঠে গেছে সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য ছোট বড় গর্তের। সবচেয়ে বেশি খারাপ অবস্থা মগধরা গোলবাড়ী সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয় থেকে পেলিশ্যার বাজার পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার রাস্তার।
প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও শতশত যানবাহন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করলেও ভাঙাচোরা সড়কটি মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে চলাচলকারী ও পথচারী দের। সড়ক মেরামতে কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় ক্ষুদ্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ সড়কে গেল বছর মগধরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম আনোয়ার হোসেন তার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে ইটের রাবিস দিলে তা বর্ষা মৌসুমে ভেঙে চুরে গেছে।
প্রায় ৯ কিলোমিটার সড়কের পাশে রয়েছে উত্তর কাছিয়াপাড় পশ্চিমে হারামিয়া ইউনিয়ন, দক্ষিণে মাইটভাংগা ও সারিকাইত ইউনিয়নের পাশে রয়েছে মুছাপুর ইউনিয়ন, সর্বমোট ২ লক্ষ মানুষের নিত্য যাতায়াত এ সড়কে। কিন্তু সড়কটিতে ভোগান্তির শেষ নেই, এই লম্বা সড়কে মাঝে মধ্যে কিছু কাজ হয়, কিন্তু কাজ যেন সামনের দিকে আগাই না, ৬ নং ওয়ার্ডের আমতলী বাজার থেকে ৭ নং ওয়ার্ডের নোয়াহাট পর্যন্ত এমন কোন সুস্থ মানুষ গাড়িতে উঠলে সে অসুস্থ হয়ে যাবে। এদিকে আলতাফ মার্কেট হয়ে ষোলশহর বাজার পর্যন্ত সড়ক এখনো কাচা পাকা করার দাবী এলাকাবাসীর।
কনকর্ড ফার্মার এমপিও মিলাদ হোসেন নামে এক ব্যক্তি বলেন ‘এই সড়কটি দক্ষিণ অঞ্চল বাসীর জন্য বিষঁফোড়া। জানিনা এই কষ্ট কবে শেষ হবে।’
নোয়াহাটের পল্লী চিকিৎসক রিদোয়ানুল বারী বলেন , ‘গাড়ি তো দূরে থাক এই রাস্তা দিয়ে পাঁয়ে হেটেও চলা যায়না। সড়ক ও জনপথ বিভাগের কোন মাথা ব্যাথা নেই রাস্তাটি নিয়ে। তারা কাজ শুরু করেছিল। কয়েকদিন করে এখন আর কোন খবর নেই। ’
আমতলী বাজারের ব্যাবসায়ী মিলাদ বলেন, ‘এই রাস্তা দিয়ে অটো চালালে মানুষের শরীরে কাঁদা ছিটকে যায়। গর্তের মধ্যে গাড়ি পড়লে টেনে তুলতে হয়। এছাড়াও বিভিন্ন সময় ঘটে যায় ছোট বড় অনেক দুর্ঘটনা।
সন্দ্বীপ উপজেলার এলজিআইডি সহ-প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান বলেন, ‘রাস্তার টেন্ডার হয়েছে। কাজও শুরু করা হয়েছে। এখন বৃষ্টির জন্য কাজ বন্ধ আছে। আমতলী থেকে ষোলশহর বাজার পর্যন্ত ১ হাজার কিলোমিটার সড়কের কাজ খুব শীঘ্রই শুরু হবে।
বাংলাধারা/এফএস/এফএস












