খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি »
সারা দেশের ন্যায় খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গায় যথাযোগ্য ধর্মী ভাবগাম্ভীর্য্যরে মধ্য দিয়ে পবিএ ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে জসনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার ১০(নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের ফ্রিডম স্কোয়ার থেকে একটি জসনে জুলুস র্যালি বেরহয়ে মাটিরাঙ্গা পৌরসভার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে র্যালিটি শেষ হয়। মাটিরাঙ্গা উপজেলা ও পৌর কমিটি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত এ জসনে জুলুসের আয়োজন করে।
মাটিরাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কয়েক‘শ ধর্মপ্রাণ নবীপ্রেমি মুসলমান নানা রঙ বেরঙের ব্যানার ফ্যাস্টুন নিয়ে জসনে জুলুস মিছিলে যোগদান করেন। এসময় ইয়া রাসলাল্লাহ (সা.) স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে মাটিরাঙ্গার জনপদ।
প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো শামছুল হক।
মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. আনিছুজ্জামান ডালিম, মাটিরাঙ্গা ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ কাজী মো. সলিম উল্যাহ ও মুসলিমপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাও. শফি উল্যাহ বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন।
রাষ্ট্রিয়ভাবে ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (স.) উদযাপনে সরকারী নির্দেশনা থাকলেও মাটিরাঙ্গা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাও. হারুনুর রশীদ জসনে জুলুস শোভাযাত্রাসহ কর্মসুচীতে অংশগ্রহণ না করায় উপস্থিত অনেকে ইমাম-ওলামা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
জসনে জুলুস মিছিল ও আলোচনা সভা শেষে মিছিল শেষে বাংলাদেশের মুসলমানসহ বিশ্ববাসীর শান্তি কামনায় মোনাজাত পরিচালনা করেন মাটিরাঙ্গার গোমতি কেন্দ্রীয় শাহী মসজিদের সাবেক খতিব মাও. হেদায়েত উল্যাহ নুরী।
বক্তারা বলেন, মানবজাতির শিরোমণি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিন। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল ইসলামের শেষ নবী (সা.) আরবের মরু প্রান্তরে মা আমিনার কোল আলো করে জন্মগ্রহণ করেন। দিনটিকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী বা সিরাতুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করেন সারা বিশ্বের মুসলমানরা।
মহানবী অতি অল্প বয়সেই আল্লাহর প্রেমে অনুরক্ত হয়ে পড়েন। প্রায়ই তিনি হেরা পর্বতের গুহায় ধ্যানমগ্ন থাকতেন। পঁচিশ বছর বয়সে মহানবী (সা.) বিবি খাদিজার (রা.) সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।৪০ বছর বয়সে তিনি নবুয়ত লাভ করে আল্লাহতায়ালার নৈকট্য লাভ করেন।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম












