বাংলাধারা প্রতিবেদক»
পে-অর্ডার জালিয়াতির অভিযোগ পেয়ে খলিলুর রহমান নামে এক কাস্টমস নিলাম দরদাতার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম বন্দর থানায় ফৌজদারি মামলা করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। কাস্টমস হাউজের নিলাম শাখার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) আশেদুর রহমান সরকারী রাজস্ব ফাঁকি ও নিলামের কার্যক্রমে ব্যাঘাতের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন।
জানা যায় চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার খলিলুর একটি সিএনজি চালিত ট্যাক্সি চালানের জন্য ২৫.৬ লাখ টাকার পে-অর্ডার জমা দিয়েছেন। ব্যাংক পরে দেখতে পায় যে প্রকৃত পে-অর্ডারের মূল্য ছিল ১২০ টাকা। খলিলুর রহমান ফ্লোর ম্যাটের একটি কন্টেইনার চালানের জন্য ২.৬ লাখ টাকার পে-অর্ডার এবং তিনটি কন্টেইনারের জন্য ১৯,৪৭,৮৫৮ টাকার আরেকটি পে-অর্ডার জমা দেন, যা পরে যথাক্রমে মাত্র ১৫০ টাকা এবং ১২০ টাকার পে-অর্ডার হিসাবে পাওয়া যায়। তিনি দুটি লটের জন্য সর্বোচ্চ দরদাতা নির্বাচিত হন।
দরপত্রের শর্তাবলী অনুসারে, বিড মূল্যের ১০%, ২৫.৬ লক্ষ টাকা, সরকারী কোষাগারে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। খলিলুর রহমান নামে ওই ব্যাক্তি ৯ জুন এক্সিম ব্যাংক লিমিটেডের শেখ মুজিব রোড শাখায় ২৫.6 লক্ষ টাকার পে -অর্ডার জমা দেওয়ার কথা জানান।
কিন্তু পে-অর্ডারটি সন্দেহজনক মনে হলে কাস্টমস হাউস তা যাচাইয়ের জন্য এক্সিম ব্যাংক লিমিটেডে পাঠায়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসকে জানিয়েছে যে পেমেন্ট অর্ডারের প্রকৃত পরিমাণ ছিল ১২০ টাকা।
এই বিষয়ে চট্টগ্রাম চ কাস্টমস হাউসের নিলাম শাখার সহকারী কমিশনার আলী রেজা হায়দার জানান, নিলাম জালিয়াতির ঘটনায় দরদাতার বিরুদ্ধে আরেকটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়। এদিকে জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত খলিলুর রহমান বাংলাধারাকে জানান,এগুলো সবই ষড়যন্ত্রের অংশ।আমার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে অথচ আমাকে জানানো হয়নি।পে অর্ডার তদন্তের ব্যাপারে আমি কিছু জানি।ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার পর ব্যাংক যদি অস্বীকৃতি জানায় আমি ডকুমেন্টস দাখিল করে ব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করবো।
বাংলাধারা/এফএস/এফএস












