৩ মার্চ ২০২৬

পোশাক কারখানা বন্ধ থাকায় রপ্তানি আদেশ বাতিলের আশংকা

বাংলাধারা প্রতিবেদক  »

পবিত্র ঈদ-উল-আযহার ছুটি পরবর্তী চলমান কঠোর লকডাউনে পোশাক শিল্প কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কারণে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আমদানীকৃত পণ্য চালান খালাস করতে না পারায় চলমান রপ্তানি আদেশ বাতিলের আশংকা করছে চট্টগ্রামস্থ পোশাক শিল্প মালিকরা। রবিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে পোশাক শিল্পের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে ভার্চ্যুয়ালী এক জরুরী সভায় এমন আশংকা প্রকাশ করেন তাঁরা।

বজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে উক্ত সভায় বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী, পরিচালকবৃন্দ- মোহাম্মদ আবদুস সালাম, এমডি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী, তানভীর হাবিব, এ.এম. সফিউল করিম, মো. হাসান, এম. আহসানুল হক, মিরাজ-ই-মোস্তফা, প্রাক্তন প্রথম সহ-সভাপতিবৃন্দ- নাসিরউদ্দিন চৌধুরী, মঈনউদ্দিন আহমেদ, প্রাক্তন সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ফেরদৌস, এ.এম. চৌধুরী সেলিম, প্রাক্তন পরিচালকবৃন্দ সহ বিপুল সংখ্যক পোশাক শিল্পের মালিক অংশগ্রহণ করেন।

সভায় বিজিএমইএ প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন- করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার কর্তৃক ঘোষিত ১৪ দিনের কঠোর লকডাউনের মধ্যে পোশাক কারখানা সমূহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে বাণিজ্যিক কর্মকর্তা সহ শ্রমিকদের অনুপস্থিতির কারণে ইচ্ছা থাকা স্বত্তে¡ও চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আমদানীকৃত পণ্য চালান খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়াও রপ্তানির জন্য অর্ধপ্রস্তুতকৃত তৈরী পোশাক ফিনিশিং সহ অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন না করা, ক্রেতার প্রতিনিধি কর্তৃক পণ্যের গুণগতমান পরীক্ষা করতে না পারার কারণে নির্ধারিত লীড টাইমের মধ্যে জাহাজীকরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে উক্ত রপ্তানি আদেশ বাতিল / স্থগিত / ডিসকাউন্ট সহ এয়ার শিপমেন্ট-এর আশংকা দেখা দিয়েছে। এতে আগামী আগষ্ট’২০২১ইং মাসে ০৭-১০ তারিখের মধ্যে জুলাই’২০২১ইং মাসের শ্রমিকদের বেতন পরিশোধে বিলম্বে সম্ভাব্য শ্রম অসন্তোষের আংশকা দেখা দিবে। ফলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সমূহ প্রচুর আর্থিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে রুগ্ন শিল্পে পরিনত হবে। এছাড়াও বন্দর থেকে আমদানীকৃত পণ্য চালান খালাস করতে না পারার কারণে বন্দরে কন্টেইনার ও জাহাজ জটের সৃষ্টি হয়ে আমদানী-রপ্তানিতে নৈতিবাচক প্রভাব ফেলছে। যা, বিদেশী ক্রেতাদের নিকট বাংলাদেশের রপ্তানি শিল্পের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করবে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য তথা তৈরী পোশাক শিল্পের সমূহ বিপর্যয় থেকে রক্ষার জন্য শিল্প বান্ধব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পূর্বের ন্যায় লকডাউনের মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আমদানিকৃত পণ্য চালান খালাস ও রপ্তানির জন্য কঠোর স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন পূর্বক দেশের রপ্তানির স্বার্থে পোশাক শিল্প কারখানা প্রয়োজন মোতাবেক সীমিত পরিসরে / আংশিক খোলা রাখার অনুমতি প্রদান করবেন মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সভায় বাংলাদেশের প্রধানতম রপ্তানি খাত তৈরী পোশাক শিল্পকে সমূহ বিপর্যয় থেকে উদ্ধারের লক্ষ্যে লকডাউনের মধ্যেও কঠোর স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন পূর্বক কারখানা খোলা রাখার বিষয়ে বক্তব্য রাখেন- বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী, পরিচালকবৃন্দ মোহাম্মদ আবদুস সালাম, এমডি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী, মিরাজ-ই-মোস্তফা, প্রাক্তন প্রথম সভাপতি নাসিরউদ্দিন চৌধুরী, মঈনউদ্দিন আহমেদ, প্রাক্তন সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ফেরদৌস, এ.এম. চৌধুরী সেলিম, প্রাক্তন পরিচালক – মোহাম্মদ মুসা, হাসানুজ্জামান চৌধুরী, আবদুল মান্নান রানা, অঞ্জন শেখর দাশ, খন্দকার বেলায়েত হোসেন, এনামুল আজিজ চৌধুরী সহ বিভিন্ন পোশাক শিল্পের মালিকবৃন্দ।

বাংলাধারা/এফএস/এআর

আরও পড়ুন