জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার»
কক্সবাজার জেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি জহিরুল ইসলাম সিকদার হত্যা মামলায় সাংবাদিক ইমাম খাইরকে (৩৭) গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৫।
জহির হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত লিয়াকত আলীর সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও হত্যার বিষয়ে কথোপকথনের প্রাথমিক তথ্য পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
ইমাম খাইর দৈনিক কক্সবাজার একাত্তর পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক ও চট্টগ্রামের দৈনিক সাঙ্গু পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক ও কক্সবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি। তিনি ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ফুলছড়ি গ্রামের ফরিদুল আলমের ছেলে। ছাত্রজীবনে তিনি জামায়াতের ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা ছিলেন।
বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় তাকে গ্রেফতার করে র্যাব। এ বিষয়ে র্যাব-১৫ কক্সবাজারের সিনিয়র সহকারী পরিচালক ( ল অ্যান্ড মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবু সালাম চৌধুরী বলেন, জেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি জহিরুল ইসলাম সিকদার হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমান পাওয়ায় ইমাম খাইরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মুনীর উল গীয়াস বলেন, সাংবাদিক ইমাম খাইরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গুলির ঘটনার পর জহিরের মৃত্যু পরবর্তী আরো বিভিন্ন সময়ে লিয়াকত মুঠোফোনে ইমাম খাইরের সাথে যোগাযোগের তথ্য দিয়েছে র্যাব। ইমাম খাইরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আগামী বোরবার আদালতে রিমান্ডের আবেদন করবে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত ৫ নভেম্বর রাতে শহরতলীর লিংকরোড স্টেশনে আওয়ামীলীগ নেতা কুদরত উল্লাহর নিজস্ব কাযালয়ে বসে নির্বাচনী আলোচনার সময় অস্ত্রধারীরা গুলি চালায় । এতে জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম সিকদার ও তার ছোটভাই ঝিলংজা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য কুদরত উল্লাহ সিকদার গুলিবিদ্ধ হন। ৭ নভেম্বর দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জহিরুল ইসলাম সিকদারের মৃত্যু হয়। গুলিবিদ্ধ কুদরত উল্লাহ সিকদার এখনো চমেকে চিকিৎসাধীন আছেন।
গত ৯ নভেম্বর রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য লিয়াকত আলীকে প্রধান আসামী করে ১৯ জনকে এজাহারনামীয় আসামী করে হত্যা মামলা করেন গুলিবিদ্ধ ইউপি সদস্য কুদরত উল্লাহ সিকদার। হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত এজাহারভুক্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি।
কক্সবাজার মডেল থানার পরিদর্শক ( তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দে বলেন, আসামিদের ধরতে এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
বাংলাধারা/এফএস/এফএস












