বাংলাধারা প্রতিবেদন
লকডাউনে আটকেপড়া প্রবাসীদের স্ব-স্ব দেশের ক্ষমক্ষেত্রে ফেরত পাঠাতে ১৪টি বিশেষ ফ্লাইট চালু করেছিল বিমান বাংলাদেশ। এরই মধ্যে এর অর্ধেকই বাতিল করা হয়েছে।
আর এই খবরে শত শত প্রবাসীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে ফ্লাইট চালুর দাবিতে চট্টগ্রামের ষোল শহর এলাকায় বিমান বাংলাদেশ এর অফিসে বিক্ষোভ শুরু করেছে।
শনিবার (১৭ এপ্রিল) সকাল থেকে নগরের ষোলশহর ২ নম্বর গেইট এলাকায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা ফ্লাইট চালুর দাবি জানান।
এর আগে লকডাউনে আটকেপড়া প্রবাসীদের ফেরত পাঠাতে শনিবার সকাল থেকে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার কথা জানায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুরে এসব ফ্লাইট চলাচলের কথা ছিল। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাঁচটি ফ্লাইট রয়েছে।
প্রবাসী যাত্রীদের অভিযোগ, তাদের অনেকে সৌদি আরব, কাতার ও ওমানে অভিবাসী শ্রমিক হিসেবে কর্মরত আছেন। বিদেশে ফিরতে তারা টিকিট কেটে রেখেছিলেন। এর মধ্যে ভিসার মেয়াদও শেষ হয়ে আসছে। লকডাউনের মধ্যে দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে গ্রাম থেকে এসে এখন শুনছেন- ফ্লাইট বাতিল।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তারা বলছেন, ট্রাভেল এজেন্টের মাধ্যমে অনেক যাত্রী টিকিট কেনেন। ফ্লাইট বাতিল হলে ট্রাভেল এজেন্টদের মোবাইলে তা জানিয়ে দেওয়া হয় বিমানের পক্ষ থেকে। কিন্তু এ তথ্য অনেক সময় ট্রাভেল এজেন্টদের কাছ থেকে যাত্রীরা পান না। এতে তারা দুর্ভোগে পড়েন।
মীরসরাই থেকে আসা কাতার প্রবাসী আলী আকবর জানান, ভিসার মেয়াদ আছে মাত্র ৫ দিন। নির্দিষ্ট সময়ের ভেতরে কাতার যেতে পারবো কিনা জানি না। ঝামেলা পড়তে হবে না এই চিন্তা করে আগে থেকেই টিকেট কেটে রেখেছিলাম। এখন এখানে এসে শুনছি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। কি করবো বুঝে উঠতে পারছি না।
এদিকে সৌদি এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রোববার (১৮ এপ্রিল) থেকে সিডিউল ফ্লাইট চলবে এবং ১৪ থেকে ২১ তারিখ যাদের টিকিট করা ছিল বা আছে, তাদের নতুন করে টিকিট রি-ইস্যু করতে হবে। বিমানবন্দরে না গিয়ে প্রথমে ১৪ থেকে ২১ তারিখের টিকিটগুলো রি-ইস্যু করতে হবে। এরপর করোনা টেস্ট করে গমন করতে হবে। পর্যায়ক্রমে এপ্রিলের ১৪, ১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ তারিখের যাত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে
বাংলাধারা/এফএস/এআই












