১৭ মার্চ ২০২৬

অনোয়ারায় এপ্রোস সড়কে আন্ডারপাসে ভোগান্তি

আনোয়ারা প্রতিনিধি »

বঙ্গবন্ধু টানেলের বৈরাগ ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রাম এলাকার আন্ডারপাসটি এখন এলাকাবাসীর জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রোড লেভেল থেকে কয়েক ফুট নীচে হওয়ায় এই শুষ্ক মৌসুমেও জমে রয়েছে পানি। এতে করে এলাকার ১৫ হাজারেরও অধিক মানুষ ও শত শত স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী আন্ডারপাসের নীচ দিয়ে চলাচল করছে চরম ভোগান্তি নিয়ে। এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর এলাকাবাসী টানেলের প্রকল্প পরিচালক বরাবর আবেদন করেও কোনো সুরাহা পাননি বলে অভিযোগ করেছে স্থানীয়রা।

এদিকে আজ শনিবার আন্ডারপাস এলাকায় ব্লক বসানোর কাজ করতে আসলে স্থানীয়রা তাদের বাধা দেয়। কাজে বাধা পাওয়ায় পরে সেখানে সেতু কর্তৃপক্ষের লোকজনসহ নৌ পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। এলাকাবাসীর পক্ষে যুবলীগ নেতা ওসমান গণি রাসেল ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন। পরে উপস্থিত সেতু কর্তৃপক্ষের লোকজন ও নৌ পুলিশের কর্মকর্তারা আন্ডারপাসের অসমাপ্ত কাজগুলো দ্রুততার সাথে শেষ করার আশ্বাস দিলে স্থানীয়রা চলে যান।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘আমরা উন্নয়নের বিপক্ষে নই। এই আন্ডারপাসটি এখন আমার এলাকাবাসীর জন্য গলার কাঁটা হয়ে উঠেছে। অভিযোগ উঠায় অন্য দুই জায়গার আন্ডারপাসগুলো ভেঙে নতুন করে করা হলেও অদৃশ্য কারণে আমাদেরটা কী কারণে হচ্ছে না— তা বোধগম্য নয়।’

যুবলীগ নেতা ওসমান গণি রাসেল বলেন, ‘আমরা শুরু থেকে বিষয়টি বলে আসছি। টানেল কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবেও জানিয়েছি। তারপরও সেতু কর্তৃপক্ষের একগুয়েমির কারণে আজকে পনের হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার। নীচে জমে থাকছে পানি। উচ্চতা কম হওয়ায় একটি বাসও ঢুকতে পারে না। কোথাও আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়িও ঢুকতে পারবে না। আমরা টানেল কর্তৃপক্ষের কাছে আন্ডারপাসটি ভেঙে পুনঃনির্মাণের জোর দাবি জানাচ্ছি।’

সেতু বিভাগের প্রকৌশলী মো. রায়হান বলেন, ‘আমাদের কাজ চলমান থাকায় আন্ডারপাসের জমে থাকা পানিগুলো নীচ থেকে আসতেছে। এগুলে বন্ধ করে দ্রুত সেখানে এক ফুট উঁচু করে ঢালাই করে দেয়া হবে। ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি অন্য রাস্তা দিয়ে ঢুকার জন্য স্থানীয় এলজিইডি একটি সড়ক করে দিবে বলে আমি শুনেছি।’

নৌ পুলিশ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনতাজ বলেন, ‘স্থানীয়দের কাজে বাধা দেয়ার কথা শুনে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের পর স্থানীয়রা চলে যায়।’

আরও পড়ুন