৬ মার্চ ২০২৬

বন্দরের অনুমোদন অগ্রাহ্য! বালুমহাল নিয়ে সিএমপি–ব্যবসায়ী দ্বন্দ্ব

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, সরকারি রাজস্ব প্রদান—সবকিছু ঠিকঠাক থাকার পরও চট্টগ্রামের চারটি বৈধ প্রতিষ্ঠানের ড্রেজিং ও বালি উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে সিএমপি পুলিশ। অন্যদিকে অভিযোগ উঠেছে, নতুনব্রিজ সংলগ্ন এক প্রভাবশালী বিএনপি নেতার অবৈধ বালুমহাল ঠিকই চলছে। সম্প্রতি সিএমপি পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে দেওয়া দুই আবেদনে এই চিত্র ফুটে উঠেছে।

গত ৩ মার্চ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ে দেওয়া দুটি পৃথক আবেদনে চারটি প্রতিষ্ঠান দাবি করেছে, সব ধরনের লাইসেন্স ও চুক্তি থাকা সত্ত্বেও তাঁদের বৈধ কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে আছে; এতে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে, ঝুঁকিতে পড়ছে কর্ণফুলীর নাব্যতাও।

বৈধ ব্যবসায় কী বাধা?

এসএডি–তাজ (জেভি) শাহ আমানত ডকইয়ার্ড, মেসার্স মহি উদ্দিন এন্টারপ্রাইজ, এমএস–এমইউ (জেভি) ও তাজ এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠানগুলো আবেদনে জানিয়েছে, তারা সরকারি বিধি মেনে রাজস্ব দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় বালি ও মাটি উত্তোলন করে আসছে। কিন্তু গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের কয়েক মাস আগে থেকে সংশ্লিষ্ট থানাগুলো মৌখিক ও লিখিত নির্দেশে তাদের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বলে।

প্রশাসনের নির্দেশ মানতে গিয়ে কেটে গেছে মাসের পর মাস। থেমে আছে কর্ণফুলী নদীর ড্রেজিং। বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীদের ক্ষতির অঙ্ক লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে—কোটি কোটি টাকা। আর বাড়ছে উদ্বেগও। চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হলে নদীর নাব্যতা কমে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টির আশঙ্কা করছেন তারা।

প্রতিষ্ঠানগুলোর নথি বলছে, ২০২৫ সালের ২৮ মে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের হাইড্রোগ্রাফি বিভাগ চুক্তিনামা নং ১৩–২৫ এর মাধ্যমে এসএডি–তাজ (জেভি)-কে কর্ণফুলী নদীর বাম তীরে নির্ভীক জেটি থেকে নৌ-পুলিশ কেন্দ্রের পূর্ব পর্যন্ত ‘কাটিং বেন্ড জোন’-এ সংরক্ষণমূলক ড্রেজিংয়ের অনুমোদন দেয়।

প্রায় ৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকার কাজ; পরিমাণ ২ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ ঘনমিটার। শর্ত—গ্র্যাব ড্রেজারে উত্তোলিত বালি–মাটি বাল্কহেড ও হুপারের মাধ্যমে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অপসারণ; নদী বা সাগরে ফেলা যাবে না। মেয়াদ এক বছর।

১৪ জুলাই মহি উদ্দিন এন্টারপ্রাইজকে আউটার বার এলাকায় নাব্যতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিনা খরচে ড্রেজিংয়ের অনুমতি দেওয়া হয়; দৈনিক নির্দিষ্ট পরিমাণ ড্রেজিং বাধ্যতামূলক।

১৯ আগস্ট এমএস–এমইউ (জেভি)-কে পোর্ট লিমিটের ভেতর খালসমূহে পানি প্রবাহ বজায় রাখতে ৪ কোটি ৫ লাখ টাকার সংরক্ষণ ড্রেজিং কাজের অনুমোদন দেওয়া হয়; মেয়াদও এক বছর। আবেদনকারীরা এসব কার্যাদেশ, চিফ হাইড্রোগ্রাফারের অনুমোদনপত্র ও ইজারা চুক্তির কপি সংযুক্ত করেছেন।

তাদের যুক্তি—বন্দর নির্দেশিত ড্রেজিং শেষে উত্তোলিত বালি–মাটি নির্ধারিত সাইটে (শাহ আমানত সেতু সংলগ্ন বাকলিয়া ও কর্ণফুলীর ভেল্লাপাড়া) না সরালে মোহনায় পলি জমে নাব্যতা কমবে; বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ব্যাহত হবে; জাতীয় অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ঝুঁকিতে পড়বে।

এমনকি বন্দরের অনুমতি ও চুক্তি থাকার পরও পুলিশি বাধায় কাজ বন্ধ। অথচ চুক্তি অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ড্রেজিং শেষ করা না গেলে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হবে। নদীর গভীরতা কমে যাবে।

অন্য আবেদনে মেসার্স বাকলিয়া সেইলস সেন্টার জানায়, দেশীয় প্রযুক্তির মিনি ড্রেজার দিয়ে উত্তোলিত বালি বিক্রি করে তারা। ৯ নভেম্বর প্রশাসনের একটি দল বিক্রয়কেন্দ্রে এসে বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেয়; ১২ নভেম্বর কমিশনার দপ্তরে কাগজপত্রসহ আবেদন করেও অনুমতি মেলেনি।

বন্দর ইজারা ও যন্ত্রাংশ ব্যয়সহ ১ কোটি ৬৩ লাখ ৯৩ হাজার ৮০ টাকার ক্ষতির কথা ১ মার্চ লিখিতভাবে বন্দরে জানানো হয়েছে বলে দাবি তাদের। বিক্রি শুরু করতে গেলে পুনরায় বাধা পাচ্ছেন বলেও অভিযোগ। কেন্দ্রটি বাকলিয়ার রাজাখালী নোমান কলেজ সংলগ্ন এলাকায়।

বন্দরের চুক্তি বনাম পুলিশের বাধা

শুধু মৌখিক অনুরোধ নয়, বন্দরের চুক্তিপত্রই তুলে ধরেছেন ব্যবসায়ীরা। অন্য একটি আবেদনে মেসার্স বাকলিয়া সেইলস সেন্টারের কর্ণধার জানিয়েছেন, দেশীয় প্রযুক্তির মিনি ড্রেজার দিয়ে বালি উত্তোলন ও সরবরাহ করেন তারা। গত বছরের ৯ নভেম্বর কমিশনারের দপ্তরের নাম ভাঙিয়ে প্রশাসনের ১৫–২০ জনের একটি দল তাদের বালির বিক্রয়কেন্দ্রে এসে বালি বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই নির্দেশ বহাল থাকে।

পুনরায় বিক্রি শুরুর অনুমতি চেয়ে গত বছরের ১২ নভেম্বর আবেদন করেও কোনো সুরাহা পাননি তিনি। বালি বিক্রি বন্ধ থাকায় ড্রেজিং যন্ত্রাংশ খরচ ও বন্দরের ইজারা খরচ বাবদ ১ কোটি ৬৩ লাখ ৯৩ হাজার টাকা ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলেও আবেদনে উল্লেখ করেন।

দুই থানার দুই ওসি যা বললেন

বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান ও কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন জানান, পুলিশ কমিশনারের নির্দেশেই অবৈধ বালুমহাল বন্ধ রাখা হয়েছে। কিন্তু বৈধ বা বন্দরের অনুমোদনপ্রাপ্ত কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে না।

“পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। আমরা নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি।”

তাঁদের ভাষ্য, রাতে কোনো বালির ট্রাক পেলে ট্রাফিক আইনে মামলা করা হয়। তবে চট্টগ্রাম বন্দরের চুক্তিভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো যদি কোনো কারণে সেবায় অসন্তুষ্ট হন, তাঁরা নিশ্চয়ই সিএমপি কার্যালয়ে যেতে পারেন।

যে প্রশ্ন থেকেই যায়

নির্বাচনের আগে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা বলে বালুমহাল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন কমিশনার। কিন্তু নির্বাচন শেষ হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারিতে। এরপর পেরিয়ে গেছে আরও প্রায় এক মাস। তথাপি কেন বন্ধ থাকবে বন্দরের অনুমোদনে চলা ড্রেজিং ও বালি, মাটি উত্তোলন, সংরক্ষণ এবং অপসারণ—এই প্রশ্ন উঠছে।

প্রশ্ন উঠেছে চট্টগ্রাম নগরীতে সাম্প্রতিক কয়েকটি আলোচিত হত্যাকাণ্ড ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়েও।

২০২৫ সালের মার্চ মাসের শেষ দিকে নগরীর বাকলিয়া এক্সেস রোডে ভোরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুইজন নিহত হন। মোটরসাইকেলে এসে একদল সন্ত্রাসী একটি প্রাইভেট কারকে ধাওয়া করে এ হামলা চালায়। এতে গাড়ির চালক ও এক যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, বালুমহাল দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর দ্বন্দ্ব এবং পূর্বশত্রুতাই এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে কাজ করেছে। ওই ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নির্বাচনের আগে বৈধ–অবৈধ সব বালুমহালের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার উদ্যোগ নেন সিএমপি পুলিশ কমিশনার।

তবে এ সিদ্ধান্তের পরও নগরীতে অপরাধ কতটা কমেছে—তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর মধ্যেই ২০২৫ সালের ২৫ মে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় আরেকটি গুলির ঘটনায় নিহত হন কথিত সন্ত্রাসী আলী আকবর ওরফে ‘ঢাকাইয়া আকবর’। একদল সন্ত্রাসীর গুলিতে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

এ ঘটনাটি বালুমহাল দখলসংক্রান্ত নয় বলে জানা যায়। কিন্তু পতেঙ্গায় এই হত্যাকাণ্ডের পরও সেখানে ব্যবসা–বাণিজ্য বা অন্যান্য কার্যক্রম কী বন্ধ রয়েছে? প্রশ্ন স্থানীয়দের।

একইভাবে ২০২৫ সালের ৮ নভেম্বর চট্টগ্রাম–৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনী প্রচারণার সময় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় সরোয়ার হোসেন বাবলাকে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, এ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত চারজনকে ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তার অদূর।

তদন্তে উঠে আসে, প্রায় দুই দশক ধরে বিদেশে অবস্থান করে ‘বড় সাজ্জাদ’ নামে পরিচিত এক ব্যক্তি চট্টগ্রামের অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন। তার নির্দেশে চাঁদাবাজি, রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার, ভবন নির্মাণে প্রভাব খাটানোসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ওই আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই নগরীর বায়েজিদ থানার চালিতাতলী এলাকায় বাবলাকে হত্যা করা হয় বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।

তবে বায়েজিদ এলাকায় এ ধরনের ঘটনার পরও কোনো বৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়নি। এ অবস্থায় প্রশ্ন তুলছেন ব্যবসায়ীরা—শুধু বাকলিয়া ও কোতোয়ালী এলাকার বালুমহাল ও বন্দরকেন্দ্রিক বৈধ ব্যবসা কেন নানা অজুহাতে বন্ধ রাখা হবে?

সংশ্লিষ্ট একটি অসমর্থিত সূত্রের দাবি, ব্যক্তিগত স্বার্থে কোনো অসাধু পক্ষ পুলিশ কমিশনারকে বিভ্রান্ত করে বালুমহাল দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও গুলাগুলির তথ্য উপস্থাপন করছে।

তাদের মতে, বন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমোদনপ্রাপ্ত বৈধ বালি উত্তোলন ও সরবরাহ কার্যক্রমের সঙ্গে এসব সংঘর্ষের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।

ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন—নির্বাচন শেষ হলেও বন্দরের অনুমোদিত বৈধ কার্যক্রম কেন স্বাভাবিক হচ্ছে না?

এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগও উঠছে। নতুনব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এক প্রভাবশালীর অবৈধ বালুমহাল সচল থাকার অভিযোগ তুলে বৈধ প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি কঠোরতা দেখানো হচ্ছে—এমন সমালোচনা করেছেন আবেদনকারীরা।

তারা বলছেন, “শক্তের ভক্ত, নরমের যম”—এমন ধারণা তৈরি হলে প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়।

এ প্রসঙ্গে সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ, অতিরিক্ত কমিশনার মুহাম্মদ ফয়সাল আহমেদ, দক্ষিণ জোনের ডিসি হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া ও সদর জোনের ডিসি ফেরদৌস আলী চৌধুরীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও তাঁরা মেসেজ প্রদর্শন করলেও আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী কমিশনার (এসি) আমিনুর রশীদ, যিনি বর্তমানে সদর দপ্তর এবং অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে জনসংযোগ ও মিডিয়া শাখার দায়িত্ব পালন করছেন, বলেন—“বিষয়টি আমি খোঁজখবর নেব। তারপর সিএমপির সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে মন্তব্য জানাতে পারব। কারণ আমি তো আর নির্দেশনা দিতে পারব না। তবে বৈধ কোনো প্রতিষ্ঠানকে পুলিশ হয়রানি করার কথা নয়।”

চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (প্রশাসন) মো. ওমর ফারুক বলেন, “নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে ‘ক্যাপিটাল ড্রেজিং’ প্রকল্পের অধীনে কর্ণফুলী নদীতে ড্রেজিং করা হচ্ছে। খাল খনন করা হচ্ছে। চাক্তাই ও রাজখালী খালের মুখে ড্রেজিং হয়েছে। আরও কাজ চলমান।”

তিনি আরও বলেন, “ইতোমধ্যে ফিশারিঘাট, জোবায়ের খাল, লইট্টা খাল, বিএফটি খাল, অভয় মিত্র খাল, পিকে সেন খালের মুখে খনন করা হয়েছে। ড্রেজার দিয়ে কর্ণফুলী থেকে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৬ হাজার থেকে ৭ হাজার ঘনমিটার মাটি তোলা হচ্ছে। সব মিলিয়ে এই ড্রেজিংয়ের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রকল্পটি নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে বড় ভূমিকা রাখবে।”

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চিফ হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার মো. ওবায়দুর রহমান (এইচ-২) বিএন বলেন, “২৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে কর্ণফুলী ড্রেজিং প্রকল্পের কাজ চলছে। নদীর নাব্যতা ধরে রাখতে চার কিলোমিটার এলাকায় ড্রেজিং ও খাল খনন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে নদীর তলদেশে জমে থাকা পলিথিনের স্তর অপসারণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

কিন্তু বন্দর অনুমোদিত ড্রেজিং বন্ধ থাকলে কর্ণফুলীর নাব্যতা ও বাণিজ্যিক চলাচলে কী প্রভাব পড়বে—এ প্রশ্নের জবাব এখন প্রশাসনের কাছেই চায় সংশ্লিষ্ট মহল।

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ