বাংলাধারা প্রতিবেদন >>>
বাঁশখালী উপজেলার গণ্ডামারা ইউনিয়নের পশ্চিম বড়ঘোনায় এস আলমের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে নিহতর সংখ্যা আরও একজন বেড়েছে।
এর আগে নিহত ছিল ৪ জন। তারা হলেন- আহমদ রেজা (১৮), রনি হোসেন (২২), শুভ (২৪), মো. রাহাত (২৪)।
জানা যায়, এই চারজন বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে মারা যায়।
নতুন করে মারা যায় মো. রায়হান (২৫)।
জানা যায়, তিনি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। তিনি নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার আদর্শ গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে।
এ ঘটনায় আহত ১১ জনকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন- হাবিব উল্লাহ (২১), মো. রাহাত (৩০), মিজান (২২), মো. মুরাদ (২৫), মো. শাকিল (২৩), মো. কামরুল (২৬), মাসুম আহমদ (২৪), আমিনুল হক (২৫), মো. দিদার (২৩), ওমর (২০) ও অভি (২২)। এছাড়া গণ্ডামারা পুলিশ ফাঁড়ির তিন সদস্যও আহত হয়েছেন। তারা হলেন-ইয়াসির (২৪), আব্দুল কবির ও (২৬), আসাদুজ্জামান (২৩)।
বাঁশখালী থানার ওসি (তদন্ত) আজিজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রে সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। এসময় অনেকে আহত হয়।
হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই শীলব্রত বড়ুয়া জানান, বাঁশখালীর বিদ্যুৎকেন্দ্রে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ ও আহতদের হাসপাতালে আনা হয়েছে। এদের মধ্যে মো. রায়হান (২৫) মারা যান।
বাংলাধারা/এফএস/এআই












