বাংলাধারা প্রতিবেদক »
পুঁজিবাজারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের তালিকাভুক্ত বারাকা পাওয়ার লিমিটেডের চট্টগ্রামের শিকলবাহায় অবস্থিত ১০৫ মেগাওয়াট এইচএফওভিত্তিক আইপিপি বিদ্যুৎকেন্দ্রে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা যায়, শিকলবাহায় নির্মিত ১০৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ারের ৫১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বারাকা পাওয়ার লিমিটেডের সাবসিডিয়ারি কোম্পানি, যেখানে মূল কোম্পানির ৫১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। এ হিসাবে শিকলবাহা বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে বারাকা পাওয়ারের ক্রস হোল্ডিং শেয়ার রয়েছে ২৬ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ শেয়ার।
এছাড়া বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে ২০ শতাংশ সরাসরি মূলধনি বিনিয়োগ রয়েছে তাদের। অর্থাৎ শিকলবাহা বিদ্যুৎকেন্দ্রটির মোট ৪৬ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ শেয়ারধারী বারাকা পাওয়ার। সূত্রমতে, বারাকা শিকলবাহা পাওয়ারের বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বিষয়ে ২০১৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বিপিডিবির পক্ষ থেকে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) ইস্যু করা হয়। এলওআই ইস্যুর ৯ মাসের মধ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসার কথা ছিল।
উল্লেখ্য, ১৫ বছরের জন্য কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ কেনার চুক্তি রয়েছে সরকারের। ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দিয়েছে বারাকা পাওয়ার লিমিটেড। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৭৫ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২.২৯ টাকা। ৩০ জুন কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়ায় ১৮.৮০ টাকা, আগের বছরের একই সময় কোম্পানিটির এনএভিপিএস ছিল ২০.১২ টাকা।
এদিকে চলতি বছরের তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ’১৯) বারাকা পাওয়ারের ইপিএস হয়েছে ১.২৭ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১.৩৭ টাকা। তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ইপিএস হয়েছে ০.৩০ টাকা। ৩১ মার্চ এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭.৭৩ টাকা।
সর্বশেষ এনটিটি সার্ভিল্যান্স রেটিং অনুসারে, বারাকা পাওয়ারের ঋণমান ডাবল এ ওয়ান’। ২০১৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কোম্পানির নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক লায়াবিলিটি পজিশন ও প্রাসঙ্গিক অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।
বাংলাধারা/এফএস/এমআর/এমআর












