১৪ মার্চ ২০২৬

বিদ্রোহী প্রার্থীর ইন্ধনদাতাদের চিহ্নিত করছে আ. লীগ

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থীর পাশাপাশি দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে অনেকে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে মাঠ দখলের লড়াইয়ে নেমেছে। এতে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে নির্বাচনী পরিবেশ। এমনকি প্রকাশ্যে চলছে এ লড়াই। এ বিদ্রোহী প্রার্থীদের পেছনে ইন্ধনদাতাদের চিহ্নিত করছে আওয়ামী লীগ।

চসিক নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিয়ে আওয়ামী লীগের মধ্যে এ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির পেছনে মহানগর আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার ইন্ধন আছে বলে আলোচনা চলছে রাজনৈতিক মহলে।

আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা মনে করছেন, দলের সমর্থন যারা পেয়েছেন, যেসব কাউন্সিলর বাদ পড়েছেন তাদের মধ্যে বিতর্কিত কয়েকজন আছেন। কিছু ওয়ার্ডে বিদ্রোহী থাকতে পারে। কিন্তু গণহারে প্রতিটি ওয়ার্ডে একাধিক বিদ্রোহীর মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়া এবং দলের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অনড় থাকার পেছনে নেতাদের ইন্ধন আছে। নিয়ন্ত্রক নেতারা প্রকাশ্যে সভায় বিদ্রোহীদের প্রত্যাহারের আহ্বান জানালেও ঘরোয়া বৈঠকে তাদের অনড় থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন, এমনটাই আলোচনা আছে নিয়ন্ত্রকদের বাইরের নেতাদের মধ্যে।

নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখা দিয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা জানা যায়। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এ ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোতে বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রকাশ্যে সংঘাত সৃষ্টি করে চলেছে বলে অভিযোগ এলাবাসীর।

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আগামীকাল (৮ মার্চ) বসার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি এখন এমন পর্যায়ে গেছে, ওবায়দুল কাদেরও বিদ্রোহীদের সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী নন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়ক ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, নেতাদের মধ্যে অনেকে বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণ করছেন, আমি তো আর নিয়ন্ত্রণ করি না। দলের স্বার্থে এবং আমাদের মেয়র প্রার্থীকে জিতিয়ে আনার স্বার্থে ওদের সরে যাওয়া দরকার। আর যদি তা না করেন, সেটার জবাব তারাই দলের কাছে দেবেন। যারা দলকে ভালোবাসলে কিংবা দলের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকলে কেউ কখনো এমন আচরণ করতে পারে না।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম/এএ

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ