বোয়ালখালী প্রতিনিধি »
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বেড়েছে গেছে চোরের উপদ্রব। এতে মূল্যবান সামগ্রী চুরি যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগিরা। এ বিষয়ে প্রশাসন তৎপর বললেও চুরি বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তাকে দায়ি করছে এলাবাসী।
গত শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন শ্রীপুর বুড়া মসজিদের গ্রিল কেটে একটি দানবাক্সের দানের টাকা চুরির ঘটনা ঘটে। যা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। এ ব্যাপারে থানায় অজ্ঞাত চোরদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন মসজিদের মোতওয়াল্লি নুরুন্নবী চৌধুরী।
এর পরদিন রোববার সন্ধ্যায় কানুনগোপাড়া পিওর ডেইরি ফার্মের গেট থেকে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ব্যাপারে বোয়ালখালী থানায় হারানো বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি করেছেন মোটরসাইকেলের মালিক মো. শাহেদ। তিনি জানান, ফার্মের গেট থেকে এক ব্যক্তি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে মোটর সাইকেল নিয়ে পালিয়ে যান। বিষয়টি ফার্মের সিসিটিভিতে ধরা পড়ে।
ওই রাতের কোনো এক সময় পৌর এলাকার দরপপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো.আলমগীর চৌধুরী রানার ঘরের পেছনে দরজা কেটে কম্পিউটারসহ মূল্যবান সামগ্রী ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চুরি হয়। তিনি পরদিন সোমবার সকালে ঘটনাটি জানতে পেরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে পোপাদিয়ার বালা চৌকিদারের সিএনজিচালিত অটোরিকশা চুরি করে নিয়ে যায় চোরের দল। অটোরিকশা চুরি হওয়ায় দিশেহারা বালা চৌকিদার জানান, অনেক কস্ট করে গাড়িটি ক্রয় করেছেন। গাড়ি চালিয়ে যা উপার্জন হয় তা দিয়েই তার সংসার চলে।
এর ১৫ দিন আগে পৌর এলাকার দরপপাড়ার মাহবু আলমের ভ্যান গাড়ি চুরি হয়।
গত রোবাবার শাকপুরা ইউনিয়নের নিধু দে পৌরসদরের ভাড়া ঘরে হানা দেয় চোরের দল। তার কাপড়সহ মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায়।
দরপপাড়ার চায়ের দোকানদার বেলাল সওদাগর জানান, ঘর থেকে ছাগল চুরি করে নিয়ে গেছে। দোকানেও বেশ কয়েকবার চুরির ঘটনা ঘটেছে। একই এলাকার করিমের ঘর থেকেও ছাগল এবং ছাগলের বাছুর চুরি গেছে।
একের পর চুরি ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ফজলুল রহমান বলেন, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় সম্প্রতি চোরের দল বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আবদুল করিম বলেন, চুরির ঘটনা রোধে পুলিশ কাজ করছে। গতকাল সোমবার রাতে চুরির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।












