সব ধরনের ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুত স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরবে বলে জানিয়েছেন সিলেটের ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনের সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাস।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে মেডিকেল ও ডাবল এন্ট্রি ভিসা দেওয়া হচ্ছে এবং ভ্রমণ ভিসাসহ অন্যান্য ক্যাটাগরির ভিসা চালু করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
গতকাল বুধবার বিকেলে সিলেট জেলা প্রেসক্লাব-এ সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সহকারী হাই কমিশনার দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ভিসা প্রদানে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।
চব্বিশের অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়ন শুরু হয়। তখন থেকে ভারত বাংলাদেশে ভিসা দেওয়া সীমিত রেখেছে।
অনিরুদ্ধ দাস বলেন, ‘পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্মানের ভিত্তিতে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক দাঁড়িয়ে আছে। দুই দেশের জনগণই হবে স্থিতিশীল, ইতিবাচক, গঠনমূলক, দীর্ঘমেয়াদী ও উভয়ের জন্য লাভজনক সম্পর্কের মূল অংশীদার। বাংলাদেশ ও ভারতের চিন্তা চেতনা এক। দুই দেশ তাদের সংস্কৃতি অতীতকাল থেকে ধারণ করে আসছে। আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের উচিত ভৌগোলিক-সাংস্কৃতিক নৈকট্য, ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং ভবিষ্যতের আকাঙ্ক্ষাকে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে নতুন সুযোগে রূপান্তর করা। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও গঠনমূলক সমালোচনার মধ্য দিয়ে সাংবাদিকরা পারে এ সর্ম্পককে আরও জোরদার ও দৃঢ় করতে।’
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা সিলেটের সঙ্গে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা-সংস্কৃতি বিনিময় ও কানকেটিভিটি নিয়ে সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেন।
সেইসঙ্গে ভারতীয় সরকারের ‘এইড টু বাংলাদেশ’ এবং ‘এলওসি’ প্রজেক্টের মাধ্যমে সিলেটের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানান।
বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তারা দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করার করার জন্য দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কগুলো ফলপ্রসু করার প্রতি মতামত দেন।













