চট্টগ্রাম নগরীতে খাবারে ক্ষতিকর কেমিক্যাল রং মেশানো মরিচ ব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ‘হালাল শেফ’ নামের একটি রেস্টুরেন্টকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। একই অভিযানে আরও চারটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪৭ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) নগরীর ২ নম্বর গেট এলাকায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান, মাহমুদা আক্তার ও রানা দেবনাথ উপস্থিত ছিলেন।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, হালাল শেফ রেস্টুরেন্টে খাবার প্রস্তুত ও সংরক্ষণে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির প্রমাণ পাওয়া যায়। ফ্রিজে কাঁচা মাংসের সঙ্গে রান্না করা মাংস, ডাল, চটপটির ডাল, ভাত ও ফ্রাইড রাইস একসঙ্গে সংরক্ষণ করা হচ্ছিল।
এছাড়া খাবারে ক্ষতিকর কেমিক্যাল রং মিশ্রিত মরিচ ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানটিকে ভোক্তা অধিকার আইন অনুযায়ী ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির দায়ে ফয়সাল মেডিকোকে ১ হাজার ৫০০ টাকা এবং হীরা ফার্মাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ‘সেভেন ডেইজ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে অনুমোদনহীন কেমিক্যাল রং ব্যবহার, বাসমতি চালের ওপর বিড়াল উঠে থাকা, স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর চপিং বোর্ড ব্যবহার, বিড়ালের বিষ্ঠা ও ইঁদুরের বিষ্ঠা মিশ্রিত বাসমতি চাল দিয়ে খাবার রান্নার মতো ভয়াবহ অনিয়মের প্রমাণ মেলায় প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অন্যদিকে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করে পণ্য বিক্রির অপরাধে শাহ আমিন সুপার সপকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ জানান, জনস্বার্থে বাজার তদারকি ও মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে আপস করা হবে না বলেও তিনি জানান।













