৪ মার্চ ২০২৬

মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ নগরবাসী ; ব্যতিক্রম রামপুর ওয়ার্ড

 মোহাম্মদ সৈকত »

কিছুদিন ধরে মশার যন্ত্রণায় দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে নগরবাসীর জীবন। মশার এই উৎপাত দিনেও ভয়াবহ রুপ নিয়েছে। নগরীর বিভিন্ন এলাকার লোকজন এই নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ২৫ নং রামপুর এলাকার জনগণ।

২৫ নং রামপুর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুস সবুর লিটন ব্যক্তিগত উদ্যোগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পুরো ওয়ার্ড জুড়ে মশক নিধন কার্যক্রম শুরু করেন। এর পর থেকেই পরিস্থিতির অনেকটা পরিবর্তন ঘটে। বর্তমানে মশার উপদ্রব কমে একটি সস্তিদায়ক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য এলাকার পরিস্থিতি এখনো আগের মতোই রয়েছে ।

নগর জুড়ে মশার উপদ্রব নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী অনিন্দ্য ব্যানার্জীও মেয়র রেজাউল করিমকে নিজের অসন্তুষ্টির কথা জানান।

মেয়র রেজাউল করিম ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে মশক নিধনে বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম চালু হয়েছে বলে জানিয়ে অচিরেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শহরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিকেল হতেই মশার যন্ত্রণা শুরু হয়, তাই সন্ধ্যার আগেই মশারীর ব্যবহার শুরু করতে হয় । আবার অনেক এলাকায় দিনের বেলাতেও মশার যন্ত্রণা ভোগ করতে হয় বলে অনেকে অভিযোগ করেছেন।

গোসাইল ডাঙ্গা এলাকার শিক্ষার্থী করিম জানান, ‘মশার কয়েল, স্প্রে কিংবা মশা মারার ব্যাট সহ নানা কিছু ব্যবহার করার পরও মশা থেকে রেহাই পাচ্ছি না। তাই বাধ্য হয়ে মশারির ভেতর পড়ালেখা করি। রাত তো বটে এখন দিনেও মশার কারণে শান্তি পাচ্ছি না।’

শহরের বাকলিয়া ডি সি রোডের বাসিন্দা মোসলেম বলেন, ‘নালা নর্দমাসহ আশেপাশের ঝোপঝাড় অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পড়ে আছে দীর্ঘদিন। আমি জানি না, সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগ কী করে? গত ছয় মাস এলাকায় মশার ওষুধ স্প্রে করতে দেখা যায়নি তাদের।’

এদিকে নগরীর আগ্রাবাদ, দেওয়ান বাজার, কর্নেল হাট, কাট্টলী, ইস্পাহানী, খুলশি সহ বিভিন্ন এলাকায় মশার উপদ্রবের এই অভিন্ন চিত্র পাওয়া যায় ।

বাংলাধারা/এফএস/এআই

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ