১৪ মার্চ ২০২৬

মাদাম বিবির হাট শাহ্জাহান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সিরাজুল হকের ১৬তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

মাদাম বিবির হাট শাহ্জাহান উচ্চ বিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সিরাজুল হকের ১৬তম মৃত্যু বার্ষীকিতে তাঁকে স্মরণ করেছে বিদ্যালয়টির পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীরা।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে মরহুমের কবরে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পন, দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে শুরু করে সংক্ষিপ্ত শোক সভার মাধ্যমে শেষ হয় এই স্মরণ কর্মসুচি।

বিদ্য়ালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী আজমর সভপতিত্বে স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিশেবে উপস্থিত ছিলেন পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আ ফ ম ইউছুপ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পরিচালনা পরিষদের সদস্য আব্দুল করিম, ছালেহ্ আহমদ, সাইফুল ইসলাম রনি, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সভাপতি আ ফ ম ইউছুপ বলেন, ১৯০৫ সালে ছোট পরিসরে মাদামবিবির হাট শাহজাহান জুনিয়র মাদ্রাসা নামে এই প্রতিষ্ঠান যাত্রা শুরু করে। তবে নানা প্রতিকুলতা ও অর্থাভাবে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যায়।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযদ্ধের পর যখন দেশ গঠনের কাজ চলছিল ১৯৭৩ আমরা এলাকার সামাজিক প্রতিষ্ঠান আলোড়ণী সংঘের ক’জন সদস্য মিলে প্রতিষ্ঠানটিকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়ানোর সিদ্ধান্ত নেই। এলাকার তৎকালীন মুরুব্বিদের সাথে পরামর্শ করে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় পতিষ্ঠার জন্য একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করি। সেই কমিটির সভাপতি ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের দীর্ঘ সময়ের সভাপতি মরহুম খায়রুল বশর সাহেব ও সম্পাদক ছিলেন মরহুম ‍সিরাজুল হক সাহেব।

সভাপতি ইউছুপ বলেন, বিদ্যালয়টি পুন:প্রতিষ্ঠায় তাঁরা যে শুধু নেতৃত্বই দিয়েছেন তা নয় তারা দীর্ঘদিন ধরে দিয়ে গেছেন অর্থসাহায্য। বিদ্যালয়ের আরো একজন অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মরহুম এডভোকেট লিয়াকত আলী মাস্টার তো তাঁর বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের লোভনীয় চাকরী ছেড়ে বিনা বেতনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়ীত্ব পালন করেছেন দীর্ঘদিন। এছাড়াও আরো অনেকের অক্লান্ত পরিশ্রম, অর্থ সাহায্য ও ঐকান্তিকতায় বিদ্যালয়টি আজকের এই আবস্থানে এসেছে। আমরা তাদের এই ঋণ কখনো শোধ করতে পারবো না।

তিনি বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা সকলের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে পরলোক গমনকারীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং ছাত্র-ছাত্রীদের বিদ্যালয়ের সঠিক ইতিহাস জেনে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তা জানানোর আহবান জানান।

বাংলাধারা/এফএস/এমআর

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ