ইয়াসির রাফা »
অমর একুশে বইমেলায় (২০২০) এসেছে নাজমুস সাকিব রহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘রাউলা’। ৩২টা গদ্য কবিতা নিয়ে বইটি পাওয়া যাবে খড়িমাটি প্রকাশনীর স্টলে।
লেখক জানিয়েছেন, মানুষের দাঁতের সাথে মিলিয়ে ‘রাউলা’য়ও ৩২টা কবিতা রাখা হয়েছে। আর এগুলো তিনি কবিতা হিসেবে নয় ফিলিংস ভাবতে পছন্দ করেন। ‘ফিলিংস’ নগর বাউল জেমসের প্রথম ব্যান্ডের নাম।
নাজমুস সাকিব রহমান বলেন, আমি কবিতাকে সবসময় কন্টেন্ট হিসেবে দেখেছি। কথাটা শুনতে উইয়ার্ড লাগতে পারে। তবে রাউলা আগাগোড়া কন্টেন্টের বই। যারা সিনেমার ফ্যান, সিনেমা দেখেন বইটা তাদের ভালো লাগবে। এর মধ্যে থ্রিলার, হরর, রম-কম, মিউজিক্যাল, হিউম্যার, ড্রামাসহ বিভিন্ন জনরার কবিতা রয়েছে। ‘রাউলা’ শব্দের অর্থ নয়েজ। কীভাবে এই নয়েজের সৃষ্টি হলো?
লেখক বললেন, মার্ক নফলার, এরিক ক্ল্যাপটন, পিংক ফ্লয়েড, হুমায়ূন আহমেদ, উইলিয়াম শেকসপিয়র, উৎপলকুমার বসু, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, দ্য ডোরস, মারজুক রাসেল, গুলজার, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মান্না দে, কিশোর কুমার, জয়া আহসান, অড্রে হেপবার্ন, মেরিলিন মনরো, সোফিয়া লরেন, ক্রিস্টোফার নোলান, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, জীবনানন্দ দাশ, শহীদুল জহির, জাহীদ রেজা নূর, লিওনার্দ কোহেন, উপল বড়ুয়া ও আমি; এই সব মিলিয়ে রাউলা। আমরা সবাই নয়েজটা ক্রিয়েট করেছি।
নির্ধারিত মূল্য ছাড়াও রাউলা’র কিছু কপি বর্ধিত মূল্য বা বেশি দামে বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছেন লেখক।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইকোনমিকাল গ্রোথ বেড়েছে। এটা এখন হেনরী কিসিঞ্জারের ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ নয়। সেই জায়গা থেকে এখনো কাগজের দাম দিয়ে বই কেনাটা বিব্রতকর। আমরা তো আর অত গরীব না।
লেখক আরো বলেন, ক্রিয়েটিভ কাজের সঠিক দাম হয় না। এটা অমূল্য। তারপরেও চেষ্টাটা থাকা উচিত। আমাদের মাথা খাটানোর দাম দিতে হবে। নাহলে মিউজিশিয়ানরা যেমন খ্যাপ বাজায়, লেখকরাও সেই পথে এগুবেন।
উল্লেখ্য, নাজমুস সাকিব রহমান পেশায় গণমাধ্যমকর্মী। তিনি গদ্য লিখেন। ইন্টারভিউ নেন। সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন ঘুমাতে। কবি জীবনানন্দ দাশের লেখা ‘এই ঘুম চেয়েছিলে বুঝি?’ তার সবচেয়ে পছন্দের প্রশ্ন।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম/ইরা












