চট্টগ্রাম ঢাকা বার্ন ইন্সটিটিউটে নেয়ার পথে মারা গেলেন দগ্ধ মা নুরজাহান আক্তার। আর নুরজাহানের ছেলে ১৭ বছর বয়সী শাওন মারা গেলেন চিকিৎসাধীন অবস্থায়। ২৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টায় ঢাকা বার্ন ইন্সটিটিউটে তার করুণ মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে চট্টগ্রামের হালিশহরে রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯ জনের মধ্যে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমানজানান, শাওনের ৫০ শতাংশ দগ্ধ এবং শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে মো. সাখাওয়াত হোসেন ১০০ শতাংশ, মেয়ে উম্মে আয়মান স্নিগ্ধা ৩৮ শতাংশ, সামির আহমেদ সুমন ৪৫ শতাংশ, আশুরা আক্তার পাখি ১০০ শতাংশ, আয়েশা ৪৫ শতাংশ, ফারহান আহমেদ আনাস ৩০ শতাংশ এবং শিপন ৮০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে। তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
দগ্ধ সাখাওয়াতের চাচাতো ভাই মো. মিলন জানান, তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার বাগমারা গ্রামে। সাখাওয়াত হোসেন হালিশহরে মোটর পার্টসের ব্যবসা করেন। পর্তুগাল প্রবাসী ভাই সুমন চলতি মাসের ৪ তারিখে দেশে আসে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসার জন্য সুমন পরিবার নিয়ে চট্টগ্রামে সাখাওয়াতের বাসায় আসে। আরেক ছোট ভাই শিপন হালিশহরেরই বাসিন্দা। শাওনকে কুমিল্লায় গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হবে।
দগ্ধদের বাকি ৭ জন ঢাকার বার্ন ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক।
গতকাল সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সেহরির সময় হালিশহর হালিমা মঞ্জিলের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে হঠাৎ বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে যায়। এতে ৯ জন দগ্ধ হন।













