৪ মার্চ ২০২৬

মিরসরাইয়ে বিনামূল্যে চক্ষু ও ডায়াবেটিস চিকিৎসা পেল সহস্রাধিক মানুষ

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, ডায়াবেটিস পরীক্ষা ও ব্লাড গ্রুপিং সেবা পেয়েছেন প্রায় এক হাজার মানুষ।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত উপজেলার জোরারগঞ্জ তাজমহল মসজিদ সংলগ্ন জেএম–থ্রি অ্যাপার্টমেন্টের হাজী বাড়ি প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এই চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।

ক্যাম্পে সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা, ডায়াবেটিস পরীক্ষা ও ব্লাড গ্রুপিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়। লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং খুলশীর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এবং সংগঠনের সদস্য ও বিশিষ্ট সমাজসেবক লায়ন মাজহার উল্লাহ মিয়ার সৌজন্যে এই ক্যাম্প পরিচালিত হয়। এতে লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালের অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও কমফোর্ট হাসপাতালের প্যাথলজিস্টরা চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন।

চিকিৎসা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন লায়ন্স জেলা ৩১৫-বি৪-এর গভর্নর লায়ন মোসলেহ উদ্দিন অপু এমজেএফ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রথম ভাইস গভর্নর লায়ন কামরুজ্জামান লিটন এমজেএফ, দ্বিতীয় ভাইস গভর্নর লায়ন আবু বক্কর সিদ্দিকী পিএমজেএফ, গভর্নর এডভাইজার লায়ন হাসিনা খান এমজেএফ, লায়ন তারেক কামাল, লায়ন আরশাদুর রহমান, অধ্যাপিকা নিগার সরোয়ার, লায়ন রাশেদা আক্তার মুন্নী, লায়ন জিহাদুল ইসলাম, লায়ন ইলিয়াস রিপন, লায়ন নিজাম উদ্দিনসহ লায়ন্স ও লিও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। চিকিৎসকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডা. মো. মিরান মিয়া, ডা. নাহিদা সুলতানা ও জরিনা আক্তার চৌধুরী। লিও সংগঠনের পক্ষ থেকে অংশ নেন লিও রাজিব চন্দ্র পাল, লিও জুয়েল দাশ, লিও শাখাওয়াত হোসেন ও লিও সাদেক হোসেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং খুলশীর সভাপতি লায়ন কাজী জশিম উদ্দিন।

চিকিৎসা ক্যাম্প সম্পর্কে লায়ন মাজহার উল্লাহ মিয়া বলেন, “চোখ মানুষের অমূল্য সম্পদ। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে অনেক মানুষ নিয়মিত চক্ষু পরীক্ষা করাতে পারেন না। এসব মানুষকে সেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই এই বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি ছানি অপারেশনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে আমার বাড়ির আঙিনায় লায়ন্স ক্লাবের পরিচালনায় একটি স্থায়ী চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছি, যা গভর্নর মহোদয় সানন্দে গ্রহণ করেছেন।”

আয়োজকেরা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ মিরসরাই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মধ্যে চক্ষু স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা আরও সহজে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সহায়ক হবে।

আরও পড়ুন