ক্রীড়া ডেস্ক »
লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পেদের নিয়েও জিততে পারল না পিএসজি। লিগ ওয়ানে বুধবার (১ ডিসেম্বর) তারা হোঁচট খেয়েছে নিসের বিপক্ষে। শক্তিশালী লাইনআপ নিয়েও গোলশূন্য ড্র করেছে শিরোপাপ্রত্যাশী প্যারিসিয়ানরা।
পার্ক দেস প্রিন্সেসে নিসকে আতিথ্য দেয় পিএসজি। ইনজুরির কারণে স্বাগতিক একাদশে ছিলেন না ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার। তবে আক্রমণ ভাগে লিওনেল মেসির সঙ্গে ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ারা। তাই ম্যাচের শুরুতেই প্রতিপক্ষের রক্ষণে চড়াও হয় প্যারিসিয়ানরা। তবে একপর্যায়ে বলের দখল নিয়ে পিএসজির ডিফেন্স দেয়াল ভাঙতে বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালায় নিস।
নমব মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে কেসপারের শট রুখে দেন স্বাগতিক গোলকিপার জিয়ানলুইজি দোন্নারুমা। কিন্তু ২৭তম মিনিটে এলএম থার্টির অ্যাসিস্টে সুযোগ পেয়েও বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হন এমবাপ্পে। বিরতির পরও কাঙ্ক্ষিত গোল পেতে নিসের রক্ষণে আক্রমণ শানায় ডি মারিয়া-এমবাপ্পেরা। যেখানে প্রতিপক্ষের গোলকিপারের দৃঢ়তায় আর সাফল্য পায়নি ৯ বারের শিরোপাজয়ীরা। এ ম্যাচে ড্র করলেও ১৬ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে পিএসজি।
এর আগের ম্যাচে সেইন্ট এটিয়েনের বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয় পায় মাউরিসিও পচেত্তিনোর শিষ্যরা। এ ম্যাচে মেসি কোনো গোল না পেলেও দলের তিনটি গোলের সবকটিতেই অবদান ছিল। অর্থাৎ এদিন অ্যাসিস্টের হ্যাটট্টিক করেছেন তিনি। দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ওই ম্যাচ দিয়েই পিএসজির জার্সিতে অভিষেক হয় সার্জিও রামোসের। নতুন ক্লাবের হয়ে শুরুটা তাই জয়েই রাঙালেন একসময় রিয়াল মাদ্রিদে খেলা স্প্যানিশ এই তারকা।
এক গোলে পিছিয়ে পড়ার পর পিএসজিকে সমতায় ফেরান মার্কুইনিস। ম্যাচটিতে দুটি গোল করেছেন তিনি। অন্যদিকে, মেসির আর্জেন্টাইন সতীর্থ ডি মারিয়ার পা থেকে এসেছে বাকি আরেকটি গোল। ম্যাচজুড়ে দাপট দেখানো পিএসজির সামনে লিড নেওয়ার প্রথম সুযোগ এসেছিল ম্যাচের ১৩তম মিনিটে। কিন্তু ফরাসি ফরোয়ার্ড এমবাপ্পের জোরালো শট দারুণভাবে প্রতিহত করেন প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক। এই আক্রমণের কিছুক্ষণ পরই উল্টো গোল খেয়ে বসে পচেত্তিনোর পিএসজি।
ম্যাচের বয়স তখন ৪৫তম মিনিট। ওই সময় এমবাপ্পেকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন টিমোথি কোলোডজিজ্যাক। এর মিনিট দুয়েক পর মেসির বানানো বল দারুণ হেডে প্রতিপক্ষের জালে পাঠায় মার্কুইনিস। সমতায় ফেরে পিএসজি। এরপর দশজন নিয়ে এটিয়েন ভালো লড়াই করলেও আর গোলের দেখা পায়নি। উল্টো আরও দুই গোল হজম করে স্বাগতিকরা।
ম্যাচের ৭৯ মিনিটে মেসির কাছ থেকে বল পেয়ে বাঁ পায়ের শটে গোল করেন তারই জাতীয় দলের সতীর্থ ডি মারিয়া। এরপর শেষ গোলটিও আসে মার্কুইনিসের জাদুকরী পা থেকে।












