রাউজানে যুবদল নেতা জানে আলম শিকদার হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান ও রাউজান–রাঙ্গুনিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন,
“রাউজান যুবদলের দীর্ঘদিনের ত্যাগী, নির্যাতিত এবং আমার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ নেতা জানে আলম শিকদারকে আওয়ামী লীগের ‘বি-টিম’ খ্যাত বিএনপি দাবিদার এক ব্যক্তির পৃষ্ঠপোষকতায় লালিত সন্ত্রাসীরা নির্মমভাবে হত্যা করেছে। এ বর্বর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মনোনয়ন প্রাপ্তির ধুয়ো তুলে ওই ব্যক্তি রাউজানে প্রবেশ করে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সঙ্গে নিয়ে প্রকৃত ও সাচ্চা বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের যারা গত ১৭ বছর ধরে নির্যাতনের শিকার একের পর এক হত্যা করছে।
৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে রাউজানে সংঘটিত ১৭টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে ১১ জনই আমার অনুসারী। বাকি ৬ জন পারিবারিক ও সামাজিক সহিংসতায় নিহত হয়েছেন। আর কত মায়ের বুক খালি করলে আওয়ামী এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী ওই ব্যক্তি শান্ত হবে রাউজানবাসী তা জানতে চায়।
আমি বারবার ত্যাগ স্বীকার করে এবং ধৈর্যের চরম পরীক্ষা দিয়ে আমার নেতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং আগামী রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের আদর্শ ও বিশ্বাসের প্রতি অবিচল ছিলাম, আছি এবং আমৃত্যু থাকব।
যুবদলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা জানে আলম শিকদারের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে দলীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার ও হত্যাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।”













