রাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি »
রাঙ্গুনিয়ায় ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ১৫ বসতঘর। সর্বস্ব হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।
বুধবার (৩১ মার্চ) মধ্যরাতে উপজেলার চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়নের খোন্দকার পাড়া (মল্লাপাড়া) এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান সুমন জানান, ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। ধাপে ধাপে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় মুহূর্তের মধ্যেই ১৫ বসতঘরের সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে মালামাল ও আসবাবপত্র পুড়ে যায়। পরে তদন্তে সাপেক্ষে বলা যাবে কত লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য মো. মাহবুব বলেন, ‘১৫ বসতঘরের কোনো কিছুই রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। প্রশাসন সহায়তা না করলে শিশু সন্তান নিয়ে না খেয়ে খোলা আকাশের নিচেই বসবাস করা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না।’
রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা-কদমতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইদ্রিচ আজগর বলেন, ‘আগুনের খবর শুনে আমি রাত ৩টা ১৫ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসকে ফোন দিয়ে দ্রুত আসতে বলি। আমি স্থানীয়দের নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করি এবং পরে ফায়ার সার্ভিস আসলে সকলের প্রচেষ্টায় ৪টা ৩০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণ করি। তাতে ১৫ পরিবার আগুনে সর্বস্ব হারিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিত্তবান ও প্রশাসনকে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে আহ্বান জানাচ্ছি। আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে রমজানের প্রয়োজনীয় চাল, ডাল, মরিচ-মশলা ও কাপড়সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী প্রদান করেছি এবং তথ্যমন্ত্রী মহোদয়কে বিষয়টি অবগত করেছি। আনুমানিক ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’












