৩০ মার্চ ২০২৬

লকডাউনে স্থাপনা নির্মাণ চেষ্টা, জমির মালিক-দোকানিকে অর্থদণ্ড

কক্সবাজার প্রতিনিধি »

করোনার সংক্রমণ থেকে জেলাবাসীকে নিরাপদ রাখতে গত ৮ এপ্রিল থেকে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে জেলা প্রশাসন ঘোষিত লকডাউন চলছে। সকল ধরনের উন্নয়ন বা নিত্যকাজ পরিহার করে নিরাপত্তার সাথে বাড়িতে অবস্থান করতে সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এসবকে তোয়াক্কা না করে শ্রমিক সমাবেশ ঘটিয়ে নির্মাণ কাজ করার অপরাধে কক্সবাজার শহরের তারাবনিয়ার ছড়া এলাকায় সাইফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে নগদ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকালে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শাহরিয়ার মুক্তারের নেতৃত্বে চলা ভ্রাম্যমাণ আদালত এ দণ্ড দিয়েছে।

একই এলাকায় চায়ের দোকান খোলা রাখায় নজির হোসেন, নজরুল ইসলাম ও আবদুল গফুর নামক ৩ দোকানিকে ২ হাজার টাকা করে মোট ৬ হাজার টাকা নগদ অর্থ দণ্ডও করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, করোনা পরিস্থিতিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সরকারী নির্দেশনা স্বত্ত্বেও গত কয়েক দিন ধরে অসংখ্য শ্রমিক এনে খাস জায়গায় বাউন্ডারি ওয়াল ও বাড়ি নির্মাণ করে আসছিলেন সাইফুল। অন্যসময়ে কাজ করতে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তর এবং এলাকার বিভ্ন্নিজনকেও ম্যানেজ করতে হয়। কিন্তু লকডাউন সময়ে আতঙ্কে সবাই নিজেকে ব্যস্ত থাকার সুযোগে তিনি কাজ সেরে ফেলছিলেন।

তারাবনিয়ারছরার মৃত মদন মিস্ত্রির ছেলে আবদুল হক, আবদুল্লাহ ও নুরুল হকদের কাছ থেকে ওই জায়গা কিনেন সাইফুল। আর স্থাপনা করার কিছু চিত্র কে বা কারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে তা দেখে অভিযান চালায় প্রশাসন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাহরিয়ার মুক্তার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে সবাইকে ঘরে থাকার নির্দেশনা দেয়া রয়েছে। সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতেই এ নির্দেশনা দেয়া হলেও শ্রমিক সমাবেশ ঘটিয়ে নির্মাণ কাজ করায় চলমান আতঙ্কের ঝুঁকির আবহ তৈরি করেছেন জমির মালিক। আইনের লঙ্ঘন করায় অভিযুক্তকে আর্থিক জরিমানা করে সতর্ক করা হয়েছে। একই এলাকায় ৩ চায়ের দোকানিকেও ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বাংলাধারা/এফএস/টিএম/এএ

আরও পড়ুন