বাংলাধারা প্রতিবেদন »
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন শুরুর ১৫ দিনেই আবেদন জমা পড়েছে প্রায় পাঁচ লাখ। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) আশা করছে, আবেদনের সময়সীমা ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত থাকায় সবমিলিয়ে কমপক্ষে ১৫ লাখ আবেদন জমা পড়বে।
ডিপিই বলছে, প্রাথমিকের শিক্ষক হতে মাত্র ১৫ দিনেই পাঁচ লাখ আবেদন এর আগে কখনো জমা পড়েনি। করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন চাকরির পরীক্ষা বন্ধ থাকায় আবেদনের এই কাড়াকাড়ি বলে মনে করছে অধিদফতরের কর্মকর্তারা। তবে চাকরিপ্রত্যাশীরা বলছেন, গ্রেড উন্নীত হওয়ার কারণেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের পদে চাকরিতে আগ্রহী হচ্ছেন তারা।
নিয়োগ পরীক্ষা কবে নাগাদ হতে পারে— এমন প্রশ্নের জবাবে ডিপিই’র এই কর্মকর্তা বলেন, আবেদন কার্যক্রম শেষে প্রার্থীদের আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শুরু করা হবে। এরপর লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু হবে। লিখিত পরীক্ষা শুরু হতে আবেদন শেষ হওয়ার পর একমাস সময় লাগতে পারে বলে মনে করছি।
এর আগে, গত অক্টোবরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এবার সব মিলিয়ে সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। দেশের ইতিহাসে সরকারি কোনো চাকরিতে এটিই বৃহত্তম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি। শূন্য আসনের বিপরীতে চাররিপ্রার্থীদের সংখ্যা বেশি হলে এ সংখ্যা আরও বাড়তেও পারে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সহকারী শিক্ষকদের বেতন হবে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫-এর গ্রেড ১৩ অনুযায়ী ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করতে হলে শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা সম্মান বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রার্থীদের বয়স ২০ অক্টোবর পর্যন্ত সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং গত ২৫ মার্চ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে এ বয়সসীমা হবে ২৫ মার্চ পর্যন্ত ৩২ বছর।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর গত ২৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। আগামী ২৪ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১১০ টাকা।
এবারের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সারাদেশে ২৫ হাজার ৬৩০ জন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক এবং ছয় হাজার ৯৪৭টি শূন্য পদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
বাংলাধারা/এফএস/এআর












