বাংলাধারা প্রতিবেদন »
করোনাভাইরাস বেশ জোরালোভাবে প্রভাব বিস্তার করছে বাংলাদেশে। গতকাল সন্ধ্যায় করোনাভাইরাস সংক্রমণে সমগ্র বাংলাদেশকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। করোনা প্রতিরোধে দেয়া হয়েছে তিনটি কঠোর নির্দেশনা। জনগণের জনসমাগম এড়াতে বার বার নির্দেশনা দেয়া হলেও নগরীর বাজারগুলোতে সে ধরণের কোন কিছুই দৃশ্যমান হয় নি। সকলেই সদাই কিনতে ভীড় জমিয়েছেন বাজারগুলোতে। এদিকে বাজারে সবজির দাম অনেকটা কম থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) নগরীর রিয়াজউদ্দিন বাজার ও কাজীর দেউড়ি কাঁচাবাজারে গিয়ে দেখা গেছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। এরমধ্যে অনেকের মুখে দেখা যায় নি মাস্ক।
নগরীর রিয়াজউদ্দিন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি বেগুন ২০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা, ঝিঙ্গা ৫০ টাকা, চিচিঙা ৩৫ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৩০ টাকা, তিতকরলা ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২৫ টাকা, শসা ২০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, পটল ৪০ টাকা, গাজর ২৫ টাকা, লাউ ২৫ টাকা, কাঁচামরিচ ৬০ টাকা, লেবু প্রতিটি ১৫ টাকা, টমেটো ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অপরিবর্তিত আছে মাংসের দাম। প্রতিকেজি গরুর মাংস হাড়ছাড়া ৬০০ টাকা, হাড়সহ ৫৫০ টাকা, খাসি প্রতিকেজি ৭০০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১১০ টাকা ও দেশি মুরগি ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে সরবরাহ কম থাকায় বেড়েছে মাছের দাম। মাঝারি কাতলা মাছ কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা, রুই ৩০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৫০ টাকা, ছোট ইলিশ ৬০০-৮০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৬০০ টাকা, পাবদা মাছ ৪৫০ টাকা, শিং মাছ ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রিয়াজউদ্দিন বাজারে আসা ক্রেতা আব্দুল করিম বলেন, সবজির বাজারে গিয়ে দেখি প্রচুর ভীড়। একজন আরেকজনের গায়ের ওপর এসে পড়ছে। দোকানীরা মাস্ক দিয়ে মুখ ঢেকে রাখছে না, উন্মুক্তভাবে হাঁচি-কাশি দিচ্ছে। এটা খুব ভয়ংকর। আমরাও সদাই কিনতে বাজারে না এসে পারছি না। না খেয়ে তো থাকা যাবে না। তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই ঝুঁকি নিয়ে বের হতে হচ্ছে।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম












