২১ মার্চ ২০২৬

চিকিৎসক হত্যা; সীতাকুণ্ডে প্রধান আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

সীতাকুণ্ড উপজেলার বাঁশবাড়িয়ায় র‍্যাবের সাথে গুলি বিনিময়ে ডা. শাহ আলম হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা নজির আহমেদ সুমন ওরফে কালু (২৬) নিহত হয়েছে। 

বুধবার (২৩ অক্টোবর) ভোরে সিতাকুণ্ড উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি গণমাধমকে নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. মাহমুদুল হাসান মামুন।

নিহত নজির আহমেদ সুমন ওরফে কালু ডাকাত বাড়কুণ্ড এলাকার আবুল হোসেন ছেলে বলে জানা গেছে।

ঘটনাস্থল থেকে ১টি বিদেশী পিস্তলসহ দুটি অস্ত্র ও ২৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব-৭। কালুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সীতাকুণ্ড মডেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

র‌্যাব সূত্রে জানায যায়, সোমবার (২২ অক্টোবর) র‍্যাব-৭ ডা. শাহ আলম হত্যাকাণ্ডে জড়িত ওমর ফারুক (১৯) কে আটক করে। আদালতের ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে হত্যার সাথে জড়িতদের পরিচয় প্রকাশ পায়।

র‍্যাব-৭ এর এক কর্মকর্তা জানান, গ্রেফতারকৃত ফারুকের দেয়া তথ্য অনুযায়ী এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত নজির আহমেদ সুমনকে (কালু ডাকাত) সীতাকুণ্ডের উত্তর বাঁশবাড়িয়া এলাকায় অভিযান চলাকালে র‍্যাবের উপস্থিতি ঠের পেয়ে কালু ও তার সহযোগীসহ র‍্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। আত্মরক্ষার্থে র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালালে ডাকাত দল পিছু হঠে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে কালু ডাকাতের গুলিবিদ্ধ লাশসহ ২টি অস্ত্র ও ২৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে কর্মস্থল সীতাকুণ্ড থেকে নগরীর চান্দগাঁও এলাকার বাসায় ফিরতে একটি লেগুনায় উঠেন ডা. মো. শাহ আলম। ছিনতাইকারী চক্র লেগুনাটি রয়েল গেট এলাকায় গেলে ডা. মো. শাহ আলমের কাছ থেকে টাকা পয়সা এবং মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এসময় শাহ আলম বাধা দিলে ছিনতাইকারীদের সাথে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ছিনতাইকারীরা মো. শাহ আলমকে ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করে।

বাংলাধারা/এফএস/এএ

আরও পড়ুন