ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে! নির্বাচনের বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। সব দলের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন বিভিন্ন দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। কিন্তু উৎসুক ভোটারগণ জানিয়েছেন, এবারের নির্বাচনে উৎসবের ভোটের কোনো আমেজ পরিলক্ষিত হচ্ছে না মাঠে-ময়দানে।
নির্বাচনের পরিবেশ দেখতে দেশের বিভিন্ন উপজেলা এবং চট্টগ্রাম মহানগর ও রাজধানী ঢাকা সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায় পোস্টারবিহীন নির্বাচন অর্থাৎ পোস্টার না থাকায় এবারের নির্বাচন উৎসবের আমেজ তৈরি করতে পারেনি।
১/১১ সরকার আমলে নির্বাচনী আচরণবিধি এবং দেয়ালে পোস্টার লাগানোর পরিবর্তে দড়ি দিয়ে পোস্টার লাগানোর যে সংস্কার হয়েছিল, সেটাই ছিল বৈপ্লবিক এবং বুদ্ধিভিত্তিক সংস্কার। যা নির্বাচন শেষ হলে একদিনের মধ্যে সব পোস্টার অপসারণ করা সম্ভব ছিল এবং এটি ছিল পরিবেশসম্মত। যার মধ্য দিয়ে সমগ্র শহর ও পাড়া-মহল্লার মোড়ে, সড়কের অলিগলিতে পোস্টার নির্বাচনে বড় একটি ভূমিকা রাখত।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনগুলোতে পাড়া-মহল্লায়, মাঠে-ঘাটে, অফিস-আদালতে ইতিপূর্বে যেভাবে প্রার্থীদের নিয়ে সমর্থক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের আগ্রহ-উদ্দীপনা দেখা যেত, এবারের নির্বাচনে সে আগ্রহ-উদ্দীপনায় ভাটা পড়েছে। এক ধরনের ঝাপসা ধূসর নির্বাচন হতে যাচ্ছে বলে অনেকেই ধারণা করছেন।
অনেকের মতে নির্বাচনে পোস্টার তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রেস মালিক-শ্রমিক থেকে শুরু করে বাংলাদেশের অধিকাংশ মুদ্রণ শিল্প। নির্বাচনও হারিয়েছে তার ৫৪ বছরের ঐতিহ্য তথা নির্বাচনী সৌন্দর্য। অন্যদিকে ফেস্টুন-ব্যানার নির্ভর নির্বাচন পোস্টারের চেয়ে খরচ অনেক গুণ বেশি।
সাধারণ জনগণ দাবি তুলেছেন সামনে নির্বাচনগুলোতে পোস্টার অবশ্যই সংযোজন করতে হবে। তাহলে নির্বাচনের পরিবেশ ও সৌন্দর্য ফিরে আসবে।
বাংলাদেশ প্রেসক্লাব আরব আমিরাতের সভাপতি শিবলী আল সাদিক বলেছেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যে উৎসব দেখা যেত, সেই উৎসবের আমেজও পরিলক্ষিত হচ্ছে না। দেশে আসলাম ভোটের উৎসবে শামিল হব বলে, কিন্তু এসে আশাহত হলাম নির্বাচনের বাস্তবতা দেখে। তার মতো নির্বাচন নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন আরও অনেকে এই প্রতিবেদকের কাছে।
ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি দল তারুণ্যনির্ভর ইশতেহার ঘোষণা করেছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে ফুল গিয়ারে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কাজ করে যাচ্ছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্তি-কেন্দ্রিক প্রচার-প্রচারণা থাকলেও মাঠে-ময়দানে রাজনীতিতে ভোটের উৎসব এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান নয়। এদিকে গণভোটে সরকারের নিরপেক্ষতার ভূমিকা নিয়ে বিতর্কের মধ্যে শেষ মুহূর্তে এসে ইলেকশন কমিশন (ইসি) জানিয়েছেন গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে সরকারের প্রচার বৈধ নয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান কাজ ছিল একটি অবাধ, দলনিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিয়ে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করা। ১২ই ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন কলঙ্কিত হলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে গণতন্ত্র।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের বড় কাজ ছিল একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা। কিন্তু তাদের আগ্রহ বেশি ‘হ্যাঁ’ ভোটে।সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক অনেক আগেই বলেছেন, ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচার কার্যক্রমের কোনো সুযোগ নেই। অবশেষে সেটাই সত্য হয়েছে।
নির্বাচনে ডিপফেক আতঙ্ক উত্তরণের উপায়
এআই প্রযুক্তির কারণে বর্তমান নির্বাচন সোশ্যাল মিডিয়ানির্ভর। ফলে আতঙ্কের আরেক নাম ডিপফেক ভিডিও আতঙ্ক। ফেসবুক, টিকটক, ইউটিউব, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ, বুটিং, ইনস্টাগ্রামসহ অসংখ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভোটের আগমুহূর্তে ডিপফেক আতঙ্ক বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ডিপফেক আতঙ্ক কী? যেমন চট্টগ্রামের কোনো একটি আসনে দুজন সমান জনপ্রিয় প্রার্থী রয়েছেন। সেখানে একজন ভোটের দিন সকালে কোনো এক সময় ঘোষণা দিলেন (ছদ্মনাম) “আমি আশা আলম জনাব ভরসা উদ্দিনকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে গেলাম।”
এআই প্রযুক্তিনির্ভর এমন ভুয়া ডিপফেক ভিডিও হুট করে ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নির্বাচনের সমীকরণ বদলে যেতে পারে। ঘণ্টা দুয়েক পর আশা আলম ও তার সমর্থকরা জানতে পারবেন কিছুক্ষণ আগে যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে, সেটি আশা আলমের নয়; ভিডিওটি সঠিক নয়, এটি এআই প্রযুক্তিনির্ভর ফেক ভিডিও।
কিন্তু ক্ষতি যা হওয়ার, তা ইতোমধ্যেই হয়ে গেছে। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও দেখলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে বুধবার, আগামী ০৪ ফেব্রুয়ারি ইয়ুথ ভয়েস অফ বাংলাদেশ চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ কনফারেন্স হলে গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করতে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা ব্যারিস্টার তারেক আকবর খোন্দকার জানিয়েছেন, ডিপফেক আতঙ্কে উদ্বিগ্ন প্রার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। চট্টগ্রামের পর ঢাকাতেও এ ধরনের আরও একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা রয়েছে ইয়ুথ ভয়েস অফ বাংলাদেশের উদ্যোগে।
এছাড়া শোনা যাচ্ছে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কথাও।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউনূস বিগত কয়েক মাস ধরে বলে আসছেন নির্বাচন সুষ্ঠু করতে হবে, কারণ এই নির্বাচন দেশের ভাগ্য নির্ধারণের নির্বাচন। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলছেন, তারা কোনো দলের চাপে নেই। দেশের শ্রেষ্ঠ একটি নির্বাচন উপহার দেবেন তারা।
ইতিহাসে কেমন নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে যাচ্ছে, তা দেখার জন্য ১২ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। নির্বাচনের পরপরই দ্রুত ফলাফল ঘোষণার আশা করছেন দেশের জনগণ।
লো প্রেসারের প্রচারণা, হাই প্রেসারের নির্বাচন
নির্বাচনের দরজায় দেশ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে! নির্বাচনের বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। সব দলের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন বিভিন্ন দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। কিন্তু উৎসুক ভোটারগণ জানিয়েছেন, এবারের নির্বাচনে উৎসবের ভোটের কোনো আমেজ পরিলক্ষিত হচ্ছে না মাঠে-ময়দানে।
নির্বাচনের পরিবেশ দেখতে দেশের বিভিন্ন উপজেলা এবং চট্টগ্রাম মহানগর ও রাজধানী ঢাকা সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায় পোস্টারবিহীন নির্বাচন অর্থাৎ পোস্টার না থাকায় এবারের নির্বাচন উৎসবের আমেজ তৈরি করতে পারেনি।
১/১১ সরকার আমলে নির্বাচনী আচরণবিধি এবং দেয়ালে পোস্টার লাগানোর পরিবর্তে দড়ি দিয়ে পোস্টার লাগানোর যে সংস্কার হয়েছিল, সেটাই ছিল বৈপ্লবিক এবং বুদ্ধিভিত্তিক সংস্কার। যা নির্বাচন শেষ হলে একদিনের মধ্যে সব পোস্টার অপসারণ করা সম্ভব ছিল এবং এটি ছিল পরিবেশসম্মত। যার মধ্য দিয়ে সমগ্র শহর ও পাড়া-মহল্লার মোড়ে, সড়কের অলিগলিতে পোস্টার নির্বাচনে বড় একটি ভূমিকা রাখত।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনগুলোতে পাড়া-মহল্লায়, মাঠে-ঘাটে, অফিস-আদালতে ইতিপূর্বে যেভাবে প্রার্থীদের নিয়ে সমর্থক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের আগ্রহ-উদ্দীপনা দেখা যেত, এবারের নির্বাচনে সে আগ্রহ-উদ্দীপনায় ভাটা পড়েছে। এক ধরনের ঝাপসা ধূসর নির্বাচন হতে যাচ্ছে বলে অনেকেই ধারণা করছেন।
অনেকের মতে নির্বাচনে পোস্টার তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রেস মালিক-শ্রমিক থেকে শুরু করে বাংলাদেশের অধিকাংশ মুদ্রণ শিল্প। নির্বাচনও হারিয়েছে তার ৫৪ বছরের ঐতিহ্য তথা নির্বাচনী সৌন্দর্য। অন্যদিকে ফেস্টুন-ব্যানার নির্ভর নির্বাচন পোস্টারের চেয়ে খরচ অনেক গুণ বেশি।
সাধারণ জনগণ দাবি তুলেছেন সামনে নির্বাচনগুলোতে পোস্টার অবশ্যই সংযোজন করতে হবে। তাহলে নির্বাচনের পরিবেশ ও সৌন্দর্য ফিরে আসবে।
বাংলাদেশ প্রেসক্লাব আরব আমিরাতের সভাপতি শিবলী আল সাদিক বলেছেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যে উৎসব দেখা যেত, সেই উৎসবের আমেজও পরিলক্ষিত হচ্ছে না। দেশে আসলাম ভোটের উৎসবে শামিল হব বলে, কিন্তু এসে আশাহত হলাম নির্বাচনের বাস্তবতা দেখে। তার মতো নির্বাচন নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন আরও অনেকে এই প্রতিবেদকের কাছে।
ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি দল তারুণ্যনির্ভর ইশতেহার ঘোষণা করেছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে ফুল গিয়ারে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কাজ করে যাচ্ছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যক্তি-কেন্দ্রিক প্রচার-প্রচারণা থাকলেও মাঠে-ময়দানে রাজনীতিতে ভোটের উৎসব এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান নয়। এদিকে গণভোটে সরকারের নিরপেক্ষতার ভূমিকা নিয়ে বিতর্কের মধ্যে শেষ মুহূর্তে এসে ইলেকশন কমিশন (ইসি) জানিয়েছেন গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে সরকারের প্রচার বৈধ নয়।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান কাজ ছিল একটি অবাধ, দলনিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিয়ে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করা। ১২ই ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন কলঙ্কিত হলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে গণতন্ত্র।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের বড় কাজ ছিল একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা। কিন্তু তাদের আগ্রহ বেশি ‘হ্যাঁ’ ভোটে।সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক অনেক আগেই বলেছেন, ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচার কার্যক্রমের কোনো সুযোগ নেই। অবশেষে সেটাই সত্য হয়েছে।
নির্বাচনে ডিপফেক আতঙ্ক উত্তরণের উপায়
এআই প্রযুক্তির কারণে বর্তমান নির্বাচন সোশ্যাল মিডিয়ানির্ভর। ফলে আতঙ্কের আরেক নাম ডিপফেক ভিডিও আতঙ্ক। ফেসবুক, টিকটক, ইউটিউব, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ, বুটিং, ইনস্টাগ্রামসহ অসংখ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভোটের আগমুহূর্তে ডিপফেক আতঙ্ক বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ডিপফেক আতঙ্ক কী? যেমন চট্টগ্রামের কোনো একটি আসনে দুজন সমান জনপ্রিয় প্রার্থী রয়েছেন। সেখানে একজন ভোটের দিন সকালে কোনো এক সময় ঘোষণা দিলেন (ছদ্মনাম) “আমি আশা আলম জনাব ভরসা উদ্দিনকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে গেলাম।”
এআই প্রযুক্তিনির্ভর এমন ভুয়া ডিপফেক ভিডিও হুট করে ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নির্বাচনের সমীকরণ বদলে যেতে পারে। ঘণ্টা দুয়েক পর আশা আলম ও তার সমর্থকরা জানতে পারবেন কিছুক্ষণ আগে যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে, সেটি আশা আলমের নয়; ভিডিওটি সঠিক নয়, এটি এআই প্রযুক্তিনির্ভর ফেক ভিডিও।
কিন্তু ক্ষতি যা হওয়ার, তা ইতোমধ্যেই হয়ে গেছে। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও দেখলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে বুধবার, আগামী ০৪ ফেব্রুয়ারি ইয়ুথ ভয়েস অফ বাংলাদেশ চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ কনফারেন্স হলে গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করতে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা ব্যারিস্টার তারেক আকবর খোন্দকার জানিয়েছেন, ডিপফেক আতঙ্কে উদ্বিগ্ন প্রার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। চট্টগ্রামের পর ঢাকাতেও এ ধরনের আরও একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা রয়েছে ইয়ুথ ভয়েস অফ বাংলাদেশের উদ্যোগে।
এছাড়া শোনা যাচ্ছে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কথাও।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউনূস বিগত কয়েক মাস ধরে বলে আসছেন নির্বাচন সুষ্ঠু করতে হবে, কারণ এই নির্বাচন দেশের ভাগ্য নির্ধারণের নির্বাচন। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলছেন, তারা কোনো দলের চাপে নেই। দেশের শ্রেষ্ঠ একটি নির্বাচন উপহার দেবেন তারা।
ইতিহাসে কেমন নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে যাচ্ছে, তা দেখার জন্য ১২ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। নির্বাচনের পরপরই দ্রুত ফলাফল ঘোষণার আশা করছেন দেশের জনগণ।
আরও পড়ুন
জনগণের খেদমত করতে হাটহাজারীতে মাঠে নেমেছি – মীর হেলাল
প্রকৃতির বাধা জয় করে সীমান্তবর্তী পাহাড়ভাঙ্গা পাড়ায় নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
সাত বছরে সেগাফ্রেডো জেনেতি এসপ্রেসো: আস্থার কফিতে চট্টগ্রামের গর্ব
নির্বাচনে বিবেক বিক্রির সুযোগ নেই: রাঙ্গুনিয়ায় ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে জেলা প্রশাসক
এ সম্পর্কিত আরও
সীতাকুন্ডের সম্ভাবনা ও সমৃদ্ধির স্বর্ণদ্বার হতে পারে সলিমপুর
কর্ণফুলীতে যৌতুক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার
‘ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ায় আইনের ব্যত্যয় ঘটেনি’
হিজড়া সেজে রাজত্ব, পেছনে ভয়ংকর মানব পাচার, পুরুষাঙ্গ হানি চক্র: চট্টগ্রামে ইলুকে ঘিরে তোলপাড়
সর্বশেষ
জনগণের খেদমত করতে হাটহাজারীতে মাঠে নেমেছি – মীর হেলাল
প্রকৃতির বাধা জয় করে সীমান্তবর্তী পাহাড়ভাঙ্গা পাড়ায় নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
সাত বছরে সেগাফ্রেডো জেনেতি এসপ্রেসো: আস্থার কফিতে চট্টগ্রামের গর্ব
নির্বাচনে বিবেক বিক্রির সুযোগ নেই: রাঙ্গুনিয়ায় ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে জেলা প্রশাসক
রাঙ্গুনিয়ায় অস্ত্রের আস্তানা ভাঙল যৌথ বাহিনী, গ্রেফতার ২