২৬ মার্চ ২০২৬

হালিশহরে বিস্ফোরণ: স্নিগ্ধার মৃত্যুতে পরিবারটির আর কেউ বেঁচে নেই

চট্টগ্রামের হালিশহরে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আরও একটি প্রাণ ঝরে গেলো। ১০ বছর বয়সী উম্মে আইমান স্নিগ্ধা বুধবার রাত ২টার দিকে ঢাকা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে মারা গেছেন।

স্নিগ্ধা ছিলেন বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক, মোটর পার্টস ব্যবসায়ী সাখাওয়াত হোসেনের কন্যা। এর আগে সাখাওয়াত হোসেন, তার স্ত্রী নুরজাহান বেগম ও ছেলে সাফায়াত হোসেনও এ ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন। সর্বশেষ স্নিগ্ধার মৃত্যুতে পরিবারের কেউ বেঁচে নেই। এ ঘটনায় দগ্ধ ৯ জনের মধ্যে ৭ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে।

এর আগে, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ৪টার দিকে হালিশহরের ‘হালিমা মঞ্জিল’ ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলায় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটে। যেখানে সাখাওয়াত হোসেনের পরিবার ছাড়াও তার প্রবাসী মেজ ভাই সামির আহমেদ, ভাইয়ের স্ত্রী পাখি আক্তার এবং ছোট ভাই শিপন হোসেন প্রাণ হারান।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, বুধবার রারত চিকিৎসাধীন অবস্থায় আইমানের মৃত্যু হয়। বর্তমানে দগ্ধ আয়েশা (৪) ও ফারহান আহমেদ (৬) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে ঘটনার এক মাস পেরিয়ে গেলেও বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ধারণ করতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস ও জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি। কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (কেজিডিসিএল) তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গ্যাস লিকেজ থেকে এ বিস্ফোরণ হয়নি।

তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, ওই বাসায় গাড়ির যন্ত্রাংশের কমপ্রেসিং ইউনিট এবং দাহ্য রাসায়নিক পদার্থ মজুত ছিল। ত্রুটিপূর্ণ বৈদ্যুতিক সংযোগ, রাসায়নিক পদার্থ বা যন্ত্রাংশের কোনো একটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন