১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

চট্টগ্রামের ১৬ আসনে ৬৫৩ কেন্দ্র চিহ্নিত ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’

৬৬ লাখ ভোটারের ভাগ্য নির্ধারণে ১৯৬৫ কেন্দ্রে প্রস্তুত ৪০ হাজার কর্মকর্তা, ১১৫ প্রার্থীর লড়াই সকালেই

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির মহড়া। নগর ও জেলা মিলিয়ে ১৬টি সংসদীয় আসনে আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে টানা ভোটগ্রহণ। ৬৬ লাখ ৮২ হাজার ৫১৭ ভোটারের ভাগ্য নির্ধারণ করবেন ১১৫ প্রার্থী।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৬ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৯৬৫টি। গতবারের তুলনায় কেন্দ্র কমেছে ৫৮টি। এর মধ্যে ৬৫৩টি কেন্দ্রকে ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। দুর্গম ও সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে রাখা হয়েছে বাড়তি নজরদারি।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) আওতাধীন ৬০৭টি কেন্দ্রের ৩১০টিই ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ তালিকাভুক্ত। অপরদিকে জেলা পুলিশের ১৭ থানার ১৩৫৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৪৩টি পড়েছে এই তালিকায়।

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন বলেন, ‘আমরা ঝুঁকি নয়, গুরুত্বের ভিত্তিতে কেন্দ্র চিহ্নিত করেছি। সন্দ্বীপের দুর্গম চর, ফটিকছড়ি-বাঁশখালীর পাহাড়ি এলাকায় যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যে কোনো ঘটনায় ২ থেকে ৪ মিনিটের মধ্যে ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারবে।’

জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানান, ‘উড়িরচর, ফটিকছড়ি ও বাঁশখালীর প্রত্যন্ত এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন রেখে কাজ করা হচ্ছে।’

ভোটগ্রহণে প্রস্তুত ৪০ হাজার কর্মকর্তা। প্রতিটি কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১৩ থেকে ১৮ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। থাকছে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও সেনাবাহিনীর টহল।

এবার চট্টগ্রামের ১৬ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের পাশাপাশি লড়ছেন জাতীয় পার্টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), এলডিপি, সিপিবি, গণফোরাম, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিসসহ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দলের প্রার্থীরা। স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন ১০ জন।

প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন। ভোটের আগের দিন বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে ব্যালট পেপারসহ সব উপকরণ।

বৃহস্পতিবার সকালে ব্যালট বাক্স মুখ খুলবে, থামবে কলমের লড়াই। চট্টগ্রামের ১৬ কেন্দ্রের ফল এক মঞ্চে নির্ধারণ করবে ৬৬ লাখ মানুষের প্রতিনিধির ভাগ্য। চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন কার্যালয় থেকে প্রত্যেক সংসদীয় আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয়ে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্সসহ ভোটগ্রহণের প্রয়োজনীয় অন্যান্য উপকরণ পাঠানো হয়েছে।

চট্টগ্রামে ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটির অবস্থান পুরোপুরি মহানগরীতে। ১০টি আসনের অবস্থান জেলায়। বাকি তিনটি আসন জেলা ও মহানগরীর কিছু অংশ মিলে আছে।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এর মধ্যে মহানগরী ও নগরী সংলগ্ন উপজেলা মিলিয়ে মোট পাঁচটি আসনে বিভাগীয় কমিশনার, মহানগরীর একটি আসনে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং জেলার ১০টি আসনে জেলা প্রশাসক রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে আছেন।

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১৩ থেকে ১৮ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে অস্ত্রসহ পুলিশ, অস্ত্রসহ আনসার–ভিডিপি সদস্য, লাঠিসহ পুরুষ ও মহিলা আনসার–ভিডিপির সংখ্যা ১০জন, গ্রাম পুলিশ থাকবে এক থেকে দু’জন। সেইসঙ্গে থাকবে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড। এ ছাড়া, নির্বাচনে সেনাবাহিনীও মোতায়েন থাকবে। শুধু ভোটের দিন নয়, ভোটের আগে ও পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন সতর্ক থাকবে।

চট্টগ্রামে আসনভিত্তিক ভোটার ও ভোটকেন্দ্র
চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই)

মোট ভোটার ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৬৭৪ জন। এর মধ্যে ‍পুরুষ ১ লাখ ৯৯ হাজার ৮৫৯, নারী ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮১১ ও তৃতীয় লিঙ্গের চার জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১০৬টি।

এই আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির নুরুল আমিন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি’র একেএম আবু ইউছুপ (তারা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী (হাতপাখা), ইনসানিয়াত বিপ্লবের রেজাউল করিম (আপেল), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী (হাত পাঞ্জা), জাতীয় পার্টির সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেন (লাঙ্গল)।

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি)

মোট ভোটার ৪ লাখ ৮৮ হাজার ৪৬৫ জন। এর মধ্যে ‍পুরুষ ২ লাখ ৫৯ হাজার ১৯৭, নারী ২ লাখ ২৯ হাজার ২৬৭ ও তৃতীয় লিঙ্গের একজন। মোট ভোটকেন্দ্র ১৪০টি।

এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ নুরুল আমিন (দাঁড়িপাল্লা), জনতার দলের মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী (কলম), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ জুলফিকার আলী মান্নান (হাতপাখা), গণঅধিকার পরিষদের রবিউল হাসান (ট্রাক), বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি- বিএসপি’র শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমেদ (একতারা), দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবির (ফুটবল) ও জিন্নাত আকতার (হরিণ)।

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ)

মোট ভোটার ২ লাখ ৬০ হাজার ৪৮৫ জন। এর মধ্যে ‍পুরুষ ১ লাখ ৩৪ হাজার ৭২০, নারী ১ লাখ ২৫ হাজার ৭৬৩ ও তৃতীয় লিঙ্গের দু’জন। মোট ভোটকেন্দ্র ৮৩টি। এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আলাউদ্দিন (দাঁড়িপাল্লা), বিএনপি’র মোস্তফা কামাল পাশা (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন (হাতপাখা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোয়াহেদুল মাওলা (ফুটবল)।

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও নগরীর একাংশ)

মোট ভোটার ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৩৮০ জন। এর মধ্যে ‍পুরুষ ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩৫২, নারী ২ লাখ ১৩ হাজার ১৬ ও তৃতীয় লিঙ্গের ১২ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১২৪টি।

এ আসনে বিএনপির আসলাম চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মো. আনোয়ার ছিদ্দিক (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি- সিপিবি’র মো. মছিউদদৌলা (কাস্তে), গণঅধিকার পরিষদের এটিএম পারভেজ (ট্রাক), গণসংহতি আন্দোলনের জাহিদুল আলম (মাথাল), নেজামে ইসলামী পার্টির মো. জাকারিয়া খালেদ (বই), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দিদারুল মাওলা (হাতপাখা), বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি- বিএসপি’র শহীদুল ইসলাম চৌধুরী (একতারা), ইসলামী ফ্রন্টের সিরাজুদ্দৌলা (মোমবাতি)।

চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও নগরীর একাংশ)

মোট ভোটার ৫ লাখ ১ হাজার ৯১৬ জন। এর মধ্যে ‍পুরুষ ২ লাখ ৬০ হাজার ৯০৩, নারী ২ লাখ ৪১ হাজার ১২ ও তৃতীয় লিঙ্গের একজন। মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৩টি।

এ আসনে বিএনপির মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের মতিউল্লাহ নূরী (হাতপাখা), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (চেয়ার), লেবার পার্টির মো. আলা উদ্দিন (আনারস), খেলাফত মজলিসের মো. নাসির উদ্দিন (রিক্সা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন রিয়াদ (ফুটবল)।

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান)

মোট ভোটার ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮৮ জন। এর মধ্যে ‍পুরুষ ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৭১, নারী ১ লাখ ৬১ হাজার ১৭। মোট ভোটকেন্দ্র ৯৫টি।

এ আসনে বিএনপির গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতের মো. শাহাজাহান মঞ্জু (দাঁড়িপাল্লা), গণসংহতি আন্দোলনের নাছির উদ্দীন তালুকদার (মাথাল), ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ ইলিয়াছ নূরী (মোমবাতি)।

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া)

মোট ভোটার ৩ লাখ ১৯ হাজার ৮ জন। এর মধ্যে ‍পুরুষ ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫৩১, নারী ১ লাখ ৫১ হাজার ৪৭৬ ও তৃতীয় লিঙ্গের একজন। মোট ভোটকেন্দ্র ৯২টি।

এ আসনে বিএনপির হুমাম কাদের চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর এটিএম রেজাউল করিম (দাঁড়িপাল্লা), সিপিবির প্রমোদ বরণ বড়ুয়া (কাস্তে), ইসলামী আন্দোলনের আব্দুল্লাহ আল হারুন (হাতপাখা), ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ ইকবাল হাছান (মোমবাতি), এবি পার্টির মো. আবদুর রহমান (ঈগল), গণঅধিকার পরিষদের মো. বেলাল উদ্দিন (ট্রাক), জাতীয় পার্টির মো. মেহেদী রাসেদ (লাঙ্গল)।

চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী ও নগরীর একাংশ)

মোট ভোটার ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন। এর মধ্যে ‍পুরুষ ২ লাখ ৮২ হাজার ৬০৬, নারী ২ লাখ ৭২ হাজার ১২২ ও তৃতীয় লিঙ্গের একজন। মোট ভোটকেন্দ্র ১৮৪টি।

এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির এরশাদ উল্রাহ, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতের আবু নাছের, এনসিপি’র মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ (শাপলা কলি). ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ এমদাদুল হক (আপেল), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ নুরুল আলম (হাতপাখা) ও ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান (মোমবাতি)।

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া)

মোট ভোটার ৪ লাখ ১৬ হাজার ৩৬৩ জন। এর মধ্যে ‍পুরুষ ২ লাখ ১৩ হাজার ৯০৬, নারী ২ লাখ ২ হাজার ৪৪৮ ও তৃতীয় লিঙ্গের নয়জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১২১টি।

এ আসনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি’র আবদুল মোমেন চৌধুরী (তারা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুস শুক্কুর (হাতপাখা), জামায়াতের একেএম ফজলুল হক (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামিক ফ্রন্টের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ (চেয়ার), বিএনপির আবু সুফিয়ান (ধানের শীষ), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ নঈম উদ্দিন (আপেল), নাগরিক ঐক্যের নুরুল আবছার মজুমদার (কেটলি), বাসদ (মার্কসবাদী) মো. শফিউদ্দিন কবির (কাঁচি), জনতার দল হায়দার আলী চৌধুরী (কলম), গণসংহতি আন্দোলনের সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ (মাথাল)।

চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং, হালিশহর ও খুলশী)

মোট ভোটার ৪ লাখ ৯২ হাজার ৪৪৪ জন। এর মধ্যে ‍পুরুষ ২ লাখ ৪৯ হাজার ৭৮৪, নারী ২ লাখ ৪২ হাজার ৬৩১ ও তৃতীয় লিঙ্গের ২৯ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১৩৯টি।

এ আসনে বিএনপির সাঈদ আল নোমান (ধানের শীষ), জামায়াতের শামসুজ্জামান হেলালী (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির মুহাম্মদ এমদাদ হোসাইন চৌধুরী (লাঙ্গল), বাসদ (মার্কসবাদী) আসমা আকতার (কাঁচি), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. লিয়াকত আলী (চেয়ার), ইসলামী আন্দোলনের মাহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম (হাতপাখা), ইনসানিয়াত বিপ্লবের সাবিনা খাতুন (আপেল), লেবার পার্টির ওসমান গণি (আনারস), স্বতস্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আরমান আলী (ফুটবল)।

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা)

মোট ভোটার ৪ লাখ ৯৫ হাজার ২৭৮ জন। এর মধ্যে ‍পুরুষ ২ লাখ ৫২ হাজার ৩৩৩, নারী ২ লাখ ৪২ হাজার ৯৪২ ও তৃতীয় লিঙ্গের তিন জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৩টি।

এ আসনে বিএনপি’র আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতের মোহাম্মদ শফিউল আলম (দাঁড়িপাল্লা), বাসদ (মার্কসবাদী) দীপা মজুমদার (কাঁচি), গণফোরামের উজ্জ্বল ভৌমিক (উদীয়মান সূর্য), জাতীয় পার্টির আবু তাহের (লাঙ্গল), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ আবু তাহের (চেয়ার), বাসদের মো. নিজামুল হক আল কাদেরী (মই), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. আজিজ মিয়া (আপেল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নুর উদ্দিন (হাতপাখা), গণ অধিকার পরিষদের মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন (ট্রাক) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া (সূর্যমুখী ফুল)।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া)

মোট ভোটার ৩ লাখ ৫২ হাজার ৬৯৫ জন। এর মধ্যে ‍পুরুষ ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৫৪, নারী ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৪০ ও তৃতীয় লিঙ্গের একজন। মোট ভোটকেন্দ্র ১০৮টি।

এ আসনে বিএনপির এনামুল হক এনাম (ধানের শীষ), জামায়াতের মোহাম্মদ ফরিদুল আলম (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের এসএম বেলাল নূর (হাতপাখা), ইসলামী ফ্রন্টের ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু (মোমবাতি), জাতীয় পার্টির ফরিদ আহম্মদ চৌধুরী (লাঙ্গল), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মোহাম্মদ আবু তালেব হেলালী (আপেল), এলডিপির এম এয়াকুব আলী (ছাতা) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন (ফুটবল)।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী)

মোট ভোটার ৩ লাখ ৯৫ হাজার ২৪৬ জন। এর মধ্যে ‍পুরুষ ২ লাখ ৭ হাজার ৭১৪, নারী ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫৩২। মোট ভোটকেন্দ্র ১১৮টি।

এ আসনে জাতীয় পার্টির আবদুর রব চৌধুরী (লাঙ্গল), ইসলামী ফ্রন্টের এসএম শাহজাহান (মোমবাতি), জামায়াতের মাহমুদুল হাসান (দাঁড়িপাল্লা), ইনসানিয়াত বিপ্লবের মু. রেজাউল মোস্তফা (আপেল), জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন- এনডিএম’র মোহাম্মদ এমরান (সিংহ), গণঅধিকার পরিষদের মো. মুজিবুর রহমান চৌং (ট্রাক) বিএনপি’র সরোয়ার জামাল নিজাম (ধানের শীষ)।

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার একাংশ)

মোট ভোটার ৩ লাখ ১৩ হাজার ৫১৩ জন। এর মধ্যে ‍পুরুষ ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৪৭, নারী ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৬৫ ও তৃতীয় লিঙ্গের একজন। মোট ভোটকেন্দ্র ১০০টি।

এ আসনে বিএনপির জসীম উদ্দীন আহমেদ (ধানের শীষ), ইনসানিয়াত বিপ্লবের এইচএম ইলিয়াছ (আপেল), এলডিপি’র ওমর ফারুক (ছাতা), ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আবদুল হামিদ (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ বাদশা মিয়া (লাঙ্গল), ইসলামী ফ্রন্টের মো. সোলাইমান (মোমবাতি), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মিজানুল হক চৌধুরী (ফুটবল). শফিকুল ইসলাম রাহী (মোটর সাইকেল)।

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়ার একাংশ ও লোহাগাড়া)

মোট ভোটার ৫ লাখ ৬ হাজার ৫৯ জন। এর মধ্যে ‍পুরুষ ২ লাখ ৭০ হাজার ৯১৫, নারী ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৪। মোট ভোটকেন্দ্র ১৫৭টি। এ আসনে
বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমীন (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলনের শরীফুল আলম চৌধুরী (হাতপাখা) ও জামায়াত ইসলামীর শাহজাহান চৌধুরী (দাঁড়িপাল্লা)।

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী)

মোট ভোটার ৪ লাখ ১১ হাজার ২৭৪ জন। এর মধ্যে ‍পুরুষ ২ লাখ ১৯ হাজার ৯৮২, নারী ১ লাখ ৯১ হাজার ২৮৭ ও তৃতীয় লিঙ্গের পাঁচ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১১২টি।

এ আসনে বিএনপির মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী (ধানের শীষ), জামায়াতের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামিক ফ্রন্টের আবদুল মালেক (চেয়ার), মুসলিম লীগের এহছানুল হক (হারিকেন), গণঅধিকার পরিষদের মো, আরিফুল হক (ট্রাক), ইসলামী আন্দোলনের হাফেজ রুহল্রাহ (হাতপাখা) ও স্বতন্ত্র প্রাথী মোহাম্মদ লেয়াকত আলী (ফুটবল)।

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ