বাংলাধারা ডেস্ক »
নয়টি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক। এসব প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৩২৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৪ হাজার ২৪৯ কোটি ৯ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৬৯ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হলো- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের তিনটি প্রকল্প যথাক্রমে ‘রংপুর সিটি কর্পোরেশনের জন্য যানবাহন ও যন্ত্রপাতি ক্রয়’,‘রাজশাহী ওয়াসা ভবন নির্মাণ‘ এবং ‘ভাণ্ডাল জুড়ি পানি সরবরাহ (১ম সংশোধিত)।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের ‘মোংলা বন্দর চ্যানেলের ইনার বারে ড্রেজিং’ প্রকল্প; সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প যথাক্রমে ‘নারায়ণগঞ্জ লিংক সড়ক (আর-১১১) (সাইনবোর্ড-চাষাড়া) ৬-লেনে উন্নীতকরণ’ এবং ‘পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিতে হাতিরঝিল-রামপুরা সেতু-বনশ্রী-শেখের জায়গা-আমুলিয়া-ডেমরা মহাসড়ক (চিটাগাং রোড মোড় এবং তারাবো লিংক মহাসড়কসহ) চার লেনে উন্নীতকরণের জন্য সহায়ক’।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের ‘আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প যথাক্রমে ‘সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার ও ছাতক উপজেলার আওতাধীন সুরমা নদীর ডান তীরে অবস্থিত দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স, রক্ষীবাউর ও বেতুরা এলাকায় নদী তীর সংরক্ষণ’ প্রকল্প এবং ‘মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় আড়িয়াল খাঁ নদী তীর সংরক্ষণ ও ড্রেজিং’।
পরে এক প্রেস সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, মোংলা বন্দরের অভ্যন্তরীণ চ্যানেলের ড্রেজিং প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৯৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা। মোংলা বন্দরে এখন ৭ থেকে সাড়ে ৭ মিটার ড্রাফটের জাহাজ ভিড়তে পারে। ড্রেজিং করলে এটি ১০ থেকে ১৫ শতাংশে পৌঁছাবে। পদ্মাসেতু তৈরির পর ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পণ্য পরিবহন সক্ষমতা বাড়লে বছরে ৩ হাজার জাহাজ হ্যান্ডেলিং করা যাবে মোংলায়।
এছাড়া, প্রকল্পে যন্ত্রপাতি কেনার আগে সেসব পরিচালনায় দক্ষ জনশক্তি আছে কি না খতিয়ে দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান এম এ মান্নান।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম












