৩১ মার্চ ২০২৬

টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নারীসহ নিহত ৩

বাংলাধারা প্রতিবেদন »

কক্সবাজারের টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক নারীসহ তিন জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই যুবক ও পুলিশে সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন এক নারী। বিজিবি ও পুলিশের দাবি নিহতরা মাদক কারবারি।

বুধবার (১৭ জুলাই) ভোররাতে টেকনাফের হ্নীলার জাদিমুড়া শিকলপাড়া নাফনদীর তীর এলাকায় বিজিবির সাথে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থল থেকে ১টি এলজি, ৩টি তাজা গুলি ও ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। গোলাগুলিতে বিজিবির তিন সদস্য আহত হন। টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়ন কমান্ডার লে. কর্ণেল ফয়সাল হাসান খান এ তথ্য জানিয়েছেন।               

নিহতরা হলেন, চাঁদপুরের দক্ষিণ মতলব চরমুকুন্দীর রেজওয়ান সওদাগরের ছেলে আসমাউল সওদাগর (৩৫)  ও যশোর কোতোয়ালির বসুন্দিয়ার বাসিন্দা জব্বার আলীর ছেলে বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লার অধিবাসী জাবেদ মিয়া (৩৪)।               

টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়ন কমান্ডার লে. কর্ণেল ফয়সাল হাসান খান এ তথ্য জানান, সোমবার দিনগত রাতে জাদিমুড়ার শিকলপাড়া এলাকা দিয়ে মিয়ানমার হতে ইয়াবার চালান আসছে এমন খবরে দমদমিয়া বিওপির সদস্যরা অভিযান চালায়। ভোররাতে নাফনদী পার হয়ে কিছু লোক এপারে উঠলে বিজিবি তাদের চ্যালেঞ্জ করে। তারা বিজিবির উপস্থিতি ঠের পেয়ে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে বিজিবি পাল্টা গুলি ছুঁড়ে। ৫-৬ মিনিট গুলি বিনিময়ের পর তারা পিছু হটলে ঘটনাস্থল হতে দুজনের গুলিবিদ্ধ দেহ পাওয়া যায়। এসময় ১টি এলজি, ৩ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ১০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। 

তিনি আরো জানান, তাদের পকেটে থাকা কাগজে তাদের পরিচয় মেলে। মরদেহগুলো উদ্ধার করে পুলিশকে দেয়া হয়। পুলিশ মরদেহ   দুটি ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে মর্গে নিয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় পৃথক মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

অপরদিকে বুধবার ভোর রাতে হ্নীলার জাদিমোরা সংলগ্ন শিকল ঘেরা পাহাড় এলাকায় পলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় এক নারী নিহত হয়। এসময় ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার হয়। গোলাগুলিতে পুলিশ সদস্যরাও আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।

নিহত হামিদা বেগমকে (৩২) হ্নীলার জাদিমোরার শিকলঘেরা এলাকার ছমি উদ্দিনের স্ত্রী।

ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, টেকনাফের হ্নীলার জাদিমোরা সংলগ্ন শিকল ঘেরা পাহাড় এলাকায় বুধবার ভোরে পুলিশের সঙ্গে মাদককারবারিদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশ সদস্যরা আহত হয়। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি করে। ঘটনাস্থল হতে  হামিদা বেগমকে (৩২) গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাকে হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি ও ২ হাজার পিস ইয়াবাও জব্দ করা হয়েছে বলে দাবি করেন ওসি। 

মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে উল্লেখ করে  এ ঘটনায় পৃথক মামলা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।      

বাংলাধারা/এফএস/এমআর

আরও পড়ুন