১ ডিসেম্বর ২০২৫

জামিন পেলেন অভিনেত্রী শমী কায়সার

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর সশস্ত্র হামলার এক হত্যাচেষ্টার মামলায় অভিনেত্রী শমী কায়সার হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন।

রাজধানীর উত্তরা এলাকায় সংঘটিত এই ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় তিনি জামিনের সুযোগ পান হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চের মাধ্যমে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, চলতি বছরের ৪ আগস্ট টঙ্গী সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী জুবায়ের হাসান ইউসুফ (২০) বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন।

সেই দিন দুপুরে উত্তরা পূর্ব থানাধীন আজমপুর এলাকায় একটি মিছিল চলাকালীন সন্দেহভাজনদের ছোড়া গুলিতে জুবায়েরের বাম কাঁধে আঘাত লাগে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লেও পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হন।

জুবায়ের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২২ আগস্ট উত্তরা পূর্ব থানায় ১১ জনকে এজাহারনামা ও অজ্ঞাতনামা প্রায় ১৫০-২০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে ছিলেন অভিনেত্রী শমী কায়সার।

এর আগে গত ৯ এপ্রিল ঢাকার সিএমএম আদালত থেকে শমী কায়সারের গ্রেপ্তারের আদেশ দেওয়া হয়। ৫ নভেম্বর রাতে তিনি উত্তরা থেকে আটক হন। পরে ইশতিয়াক মাহমুদ হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালত তাকে রিমান্ডে পাঠায়।

তিন মাস কারাগারে থাকার পর ৮ ডিসেম্বর হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন শমী কায়সার। শুনানি শেষে ৩ মাসের জামিন মঞ্জুর করা হলেও, ১২ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ জামিন স্থগিত করে।

শমী কায়সার ১৯৭০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নব্বইয়ের দশকে বাংলা চলচ্চিত্রের একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন। তার বাবা শহীদুল্লাহ কায়সার এবং মা পান্না কায়সার, যিনি একজন লেখিকা ও সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দুজা চৌধুরীর স্ত্রীর বোন মায়া পান্নার বোন হওয়ায় রাজনীতিক মাহি বি চৌধুরীর খালাতো বোন হিসেবেও পরিচিত।

আরও পড়ুন