৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে নিরাপত্তা ফাঁক: মাঝপথে লোহার সিঁড়ি

গুরুত্বপূর্ণ এক্সপ্রেসওয়েতে নিরাপত্তা ঝুঁকি, প্রশ্নবিদ্ধ সিডিএর তদারকি

চট্টগ্রাম নগরীর শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মাঝপথে লোহার সিঁড়ি স্থাপন করে যাতায়াতের পথ তৈরি করায় গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। নগরীর বন্দর থানাধীন নিমতল এলাকায় স্থাপিত এই সিঁড়ির কারণে এক্সপ্রেসওয়েতে চলাচলকারী সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

রাতের বেলায় নিরব ও সুনসান এই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে মাঝপথে নামা-ওঠার সুযোগ থাকায় চুরি, ছিনতাই কিংবা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের আশঙ্কা বাড়ছে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

বিশেষ করে চট্টগ্রাম হযরত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত, কনটেইনার টার্মিনাল ও একাধিক শিল্পাঞ্চলের শত শত কর্মী ও যাত্রী প্রতিদিন এই এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করলেও এখানে নেই কোনো স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

এলাকাবাসী ও যাত্রীদের অভিযোগ, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নিজস্ব কোনো নিরাপত্তাকর্মী, সিসিটিভি ক্যামেরা কিংবা ডিজিটাল নজরদারি ব্যবস্থা নেই। তার ওপর মাঝপথে স্থাপিত অস্থায়ী লোহার সিঁড়ি পুরো এক্সপ্রেসওয়েটিকেই ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।

ফলে যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। গতকাল থেকে এ সিঁড়িটি নজরে আসে পথচারী যাত্রীদের।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. করিমের দপ্তরে ই-মেইলে যোগাযোগ করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

তবে প্রকল্প প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান জানান, চলমান নির্মাণকাজে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের ওঠানামার সুবিধার জন্য সিঁড়িটি অস্থায়ীভাবে স্থাপন করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, “নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সিঁড়িটি বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে পুরো স্থাপনাটি অপসারণ করা হবে।”

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ