চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় একটি গুদামে অবৈধভাবে মজুত করা ১০৪২ লিটার ভোজ্যতেল জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া পাঁচলাইশ এলাকায় ২১ হাজার ৬০০ লিটার ভোজ্যতেল অবৈধভাবে মজুত করার অপরাধে দুইটি প্রতিষ্ঠানকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৯টা থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোর পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চত করেছেন র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন। তিনি জানান, বায়েজিদ থানা এলাকার গুলবাগ আবাসিক এলাকায় অবস্থিত আমানত প্যাকেজিং অ্যান্ড মার্কেটিং নামের একটি প্রতিষ্ঠানে বিএসটিআইয়ের সিএম সনদ ছাড়া ফর্টিফায়েড সয়াবিন তেল বোতলজাত ও বাজারজাত করার প্রমাণ পাওয়া যায়। এছাড়া পণ্যের মোড়কে অবৈধভাবে মানচিহ্ন ব্যবহারের অভিযোগও ওঠে। প্রতিষ্ঠানের মালিক পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় প্রতিষ্ঠানটি থেকে প্রায় ১০৪২ লিটার ভোজ্যতেল, আনুমানিক ১০ হাজার পিস মোড়ক এবং খালি বোতল জব্দ করে বায়েজীদ থানা পুলিশের জিম্মায় দেওয়া হয়।
অন্যদিকে পাঁচলাইশ থানধীন ষোলশহর ২ নম্বর গেট এলাকায় অবস্থিত মাবিয়া স্টোরে সরকারি লাইসেন্স ছাড়া প্রায় ৫০ ড্রাম ফর্টিফায়েড সয়াবিন তেল মজুত রাখার দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই এলাকায় খাজা স্টোরে লাইসেন্স থাকলেও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তেল সংরক্ষণের দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। দুইটি প্রতিষ্ঠানে
অভিযানে নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাকিব শাহরিয়ার। এসময় বিএসটিআই চট্টগ্রাম বিভাগের কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. আবদুর রহিম ও পরিদর্শক সাইদ আহমেদ তালুকদার প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া র্যাব কর্মকর্তা সাইফুর রহমানসহ সংস্থাটি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।












