বিশ্ব ফুটবলে— ভূলোক দ্যুলোক গোলক ভেদিয়া ব্রাজিল বিশ্ববিধাত্রীর!
শোয়েব নাঈম
২০২৬ সালের ২৪ জুন, মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামের সবুজ গালিচায় স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছয়টায় শুরু হয়েছিল ব্রাজিল ও স্কটল্যান্ডের যে ম্যাচ, সেখানে বহুল প্রতীক্ষার বুদ্বুদে জমে ছিল উত্তেজনার উপাদেয়। ফ্লোরিডার এই উষ্ণ সন্ধ্যায় গ্যালারিভর্তি দর্শকের উচ্ছ্বাসে আচ্ছন্ন ছিল ফুটবলের এক মনোমুগ্ধকর অধ্যায়। আর বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে সেই মুহূর্ত এসে পৌঁছেছিল ২৫ জুনের গভীর ভোর চারটায়। যখন নিদ্রামগ্ন রাত্রিকে ভেদ করে সাম্বার তালে জেগে উঠেছিল বিশ্বকাপের মহামঞ্চ। এই ম্যাচ ছিল কেবল একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, পুরো খেলাটাই ছিল— শিল্প ও শক্তির, কৌশল ও প্রত্যাশা র, ল্যাটিন ঐতিহ্য ও ইউরোপীয় মানসিকতার এক সজীব সম্মিলন। আরও ছিল— মাঠভর্তি সৌন্দর্য, ফুটবলের সৃজনশীলতা, বিজয়ী হওয়ার আবেগ এবং রেফারিদের আড়িপাতা নজরদারি। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের আজ তিনটি গোলের গোলাপে, ব্রাজিল বহুদিনের সাম্বা ঐতিহ্যের ঝলকে পুরো স্টেডিয়ামকে আলোকিত করেছিল। এই ৩-০ গোলের অনবদ্য ঝাঁকুনিতে সেলেসাওরা শুধু ম্যাচের বিজয়ীই হয়নি, মরক্কোকে নিচে নামিয়ে গ্রুপ ‘সি’-এর উচ্চতা নিজেদের করে নিয়েছে। আর এই বিজয়ের ভেতর দিয়ে আবারও প্রতিফলিত হয়েছে বিশ্ব ফুটবলে— ভূলোক দ্যুলোক গোলক ভেদিয়া ব্রাজিল বিশ্ববিধাত্রীর !
মায়ামির রৌদ্রস্নাত বিকেল ধীরে ধীরে যখন সন্ধ্যার আবেশে ডুবে গেছে, তখন সবুজ গালিচার উপর হলুদ-সাদা জার্সিধারীরা যেন এক অনন্য ফুটবলছন্দ আয়োজন করেছে। খেলার মাত্র সপ্তম মিনিটে স্কটিশ রক্ষণভাগের এক মুহূর্তের দোদুল্যমান অসতর্কতা থেকে জন্ম নেয় প্রথম বিস্ময়। প্রতিপক্ষের ভুলের ইতিবৃত্ত থেকে বিদ্যুতের ক্ষিপ্রতায় শাস্তি দিয়ে ভিনিসিয়াস জুনিয়র বল পাঠিয়ে দেন গোলজালে। সেই গোল ছিল শুধু স্কোরলাইনের সূচনা নয়, এ যেন মুগ্ধতার ব্রাজিলীয় আধিপত্যের ধারাবাহিকতা ঘোষণা। তবে সারাখেলায় স্কটল্যান্ডও আত্মসমর্পণের পতাকা ওড়ায়নি। অ্যান্ডি রবার্টসন, স্কট ম্যাকটোমিনে ও তাঁদের সতীর্থরা ইউরোপীয় দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন প্রতিটি মুহূর্তে। বলের দখলে তারা পিছিয়ে ছিল না, ব্রাজিলের বহু আক্রমণ রুখে দিয়েছে সুসংগঠিত প্রতিরোধে। প্রতিআক্রমণেও তারা স্বপ্নটিকে জীবিত রাখার চেষ্টা করেছে সর্বশক্তি দিয়ে। কিন্তু সেদিন ব্রাজিলের ফুটবল যেন অন্য এক নক্ষত্রলোক থেকে নেমে এসেছিল। ব্রাজিলের ছন্দ যেন ছিল অন্য মাত্রার। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ব্রাজিলের শ্রেষ্ঠত্ব আবারও দৃশ্যমান হয়। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে, ব্রুনো গুইমারেসের নিখুঁত ক্রস থেকে ভিনিসিয়াসের জোরালো হেড যখন স্কটল্যান্ডের জাল স্পর্শ করলো, তখন মনে হচ্ছিল মনোভঙ্গিময় উদ্ভাসে ভিনিসিয়াস জুনিয়র তাঁর কৌশলের বিশেষত্বকে গোলজালে বিস্তার করে দিয়েছে। স্কোরবোর্ডে ব্যবধান দাঁড়াল ২-০, আর স্কটিশের রূপনারায়ণ হৃদয় বেদনাবোধের অতলে আটকে গেল ।
দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে এসেও ব্রাজিলের সংঘবদ্ধ আক্রমণের ধার কমেনি। তারা আরও আত্মবিশ্বাসী ডানায় ভর করে আরও সৃজনশীল হয়ে ওঠে। ষাটতম মিনিটে ব্রুনো গুইমারেসের আরেকটি চমৎকার পাস থেকে ম্যাথিউস কুনহা গোল করে স্কটল্যান্ডের জালে ম্যাচের শেষ রায় লিখে দেয়। তবে আজকে সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তটি কোনো গোলের সঙ্গে জড়িত ছিল না। ম্যাচের পঁচাত্তরতম মিনিটে, যখন ব্রাজিলের বিজয় প্রায় নিশ্চিত, তখন দর্শকসারিতে হঠাৎ নন্দিত আবেগে এক উচ্ছ্বাসের ঢেউ বয়ে যায়। দীর্ঘ চোটের অন্ধকার সুড়ঙ্গ পেরিয়ে, বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে, দশ নম্বর জার্সি গায়ে মাঠে নামেন নেইমার জুনিয়র। সেই মুহূর্তে স্টেডিয়ামের গর্জন যেন কেবল একজন ফুটবলারের জন্য নয়, এক অসমাপ্ত স্বপ্নের প্রত্যাবর্তনের জন্য প্রসন্ন ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়, ফিরে পাওয়া এক স্বপ্নকে অভিবাদন জানাচ্ছিল। যেন অসংখ্য সমর্থকদের মনে অনেক দিন পরে খুশির বৃষ্টি নেমে এসেছে। যেন ফুটবল তার হারানো এক রাজপুত্রকে আবারও সবুজ ঘাসের রাজ্যে ফিরিয়ে এনেছে। আর সেই আবেগের সাক্ষী ছিল কানায় কানায় পূর্ণ হার্ড রক স্টেডিয়াম। কর্তৃপক্ষের ঘোষণায় জানা যায়, উপস্থিত ছিলেন ৬৪ হাজার ৪৭৮ জন দর্শক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই স্টেডিয়ামে এটিই ছিল প্রথম সম্পূর্ণ টিকিটবিক্রির ম্যাচ। প্রতিটি আসন পূর্ণ ছিল, প্রতিটি গ্যালারি ছিল প্রাণের স্পন্দনে প্রতিবিম্বময়। যেন এই স্টেডিয়ামে তারা কেবল একটি ম্যাচ দেখতে আসেননি, তারা এসেছে ধারনাতীত বেশে ইতিহাসের অবিস্মরণীয় মুহূর্তের সাথী হতে, যা ভবিষ্যতের স্মৃতিচারণায় কিংবদন্তির রূপ নেবে। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের এই ৩-০ ফ্রেমবন্দি জয় হচ্ছে এমনই এক শিল্পিত সন্ধ্যা, যেখানে ফুটবল আবারও রুপান্তরিত হয়েছে যে, বিশ্বকাপ কেবল প্রতিযোগিতা নয়, ফুটবল হচ্ছে আতরের মতো ছড়িয়ে পড়া এক সৌন্দর্যবোধ।
বিশ্ব ফুটবলে— ভূলোক দ্যুলোক গোলক ভেদিয়া ব্রাজিল বিশ্ববিধাত্রীর!
২০২৬ সালের ২৪ জুন, মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামের সবুজ গালিচায় স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছয়টায় শুরু হয়েছিল ব্রাজিল ও স্কটল্যান্ডের যে ম্যাচ, সেখানে বহুল প্রতীক্ষার বুদ্বুদে জমে ছিল উত্তেজনার উপাদেয়। ফ্লোরিডার এই উষ্ণ সন্ধ্যায় গ্যালারিভর্তি দর্শকের উচ্ছ্বাসে আচ্ছন্ন ছিল ফুটবলের এক মনোমুগ্ধকর অধ্যায়। আর বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে সেই মুহূর্ত এসে পৌঁছেছিল ২৫ জুনের গভীর ভোর চারটায়। যখন নিদ্রামগ্ন রাত্রিকে ভেদ করে সাম্বার তালে জেগে উঠেছিল বিশ্বকাপের মহামঞ্চ। এই ম্যাচ ছিল কেবল একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, পুরো খেলাটাই ছিল— শিল্প ও শক্তির, কৌশল ও প্রত্যাশা র, ল্যাটিন ঐতিহ্য ও ইউরোপীয় মানসিকতার এক সজীব সম্মিলন। আরও ছিল— মাঠভর্তি সৌন্দর্য, ফুটবলের সৃজনশীলতা, বিজয়ী হওয়ার আবেগ এবং রেফারিদের আড়িপাতা নজরদারি। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের আজ তিনটি গোলের গোলাপে, ব্রাজিল বহুদিনের সাম্বা ঐতিহ্যের ঝলকে পুরো স্টেডিয়ামকে আলোকিত করেছিল। এই ৩-০ গোলের অনবদ্য ঝাঁকুনিতে সেলেসাওরা শুধু ম্যাচের বিজয়ীই হয়নি, মরক্কোকে নিচে নামিয়ে গ্রুপ ‘সি’-এর উচ্চতা নিজেদের করে নিয়েছে। আর এই বিজয়ের ভেতর দিয়ে আবারও প্রতিফলিত হয়েছে বিশ্ব ফুটবলে— ভূলোক দ্যুলোক গোলক ভেদিয়া ব্রাজিল বিশ্ববিধাত্রীর !
মায়ামির রৌদ্রস্নাত বিকেল ধীরে ধীরে যখন সন্ধ্যার আবেশে ডুবে গেছে, তখন সবুজ গালিচার উপর হলুদ-সাদা জার্সিধারীরা যেন এক অনন্য ফুটবলছন্দ আয়োজন করেছে। খেলার মাত্র সপ্তম মিনিটে স্কটিশ রক্ষণভাগের এক মুহূর্তের দোদুল্যমান অসতর্কতা থেকে জন্ম নেয় প্রথম বিস্ময়। প্রতিপক্ষের ভুলের ইতিবৃত্ত থেকে বিদ্যুতের ক্ষিপ্রতায় শাস্তি দিয়ে ভিনিসিয়াস জুনিয়র বল পাঠিয়ে দেন গোলজালে। সেই গোল ছিল শুধু স্কোরলাইনের সূচনা নয়, এ যেন মুগ্ধতার ব্রাজিলীয় আধিপত্যের ধারাবাহিকতা ঘোষণা। তবে সারাখেলায় স্কটল্যান্ডও আত্মসমর্পণের পতাকা ওড়ায়নি। অ্যান্ডি রবার্টসন, স্কট ম্যাকটোমিনে ও তাঁদের সতীর্থরা ইউরোপীয় দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন প্রতিটি মুহূর্তে। বলের দখলে তারা পিছিয়ে ছিল না, ব্রাজিলের বহু আক্রমণ রুখে দিয়েছে সুসংগঠিত প্রতিরোধে। প্রতিআক্রমণেও তারা স্বপ্নটিকে জীবিত রাখার চেষ্টা করেছে সর্বশক্তি দিয়ে। কিন্তু সেদিন ব্রাজিলের ফুটবল যেন অন্য এক নক্ষত্রলোক থেকে নেমে এসেছিল। ব্রাজিলের ছন্দ যেন ছিল অন্য মাত্রার। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ব্রাজিলের শ্রেষ্ঠত্ব আবারও দৃশ্যমান হয়। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে, ব্রুনো গুইমারেসের নিখুঁত ক্রস থেকে ভিনিসিয়াসের জোরালো হেড যখন স্কটল্যান্ডের জাল স্পর্শ করলো, তখন মনে হচ্ছিল মনোভঙ্গিময় উদ্ভাসে ভিনিসিয়াস জুনিয়র তাঁর কৌশলের বিশেষত্বকে গোলজালে বিস্তার করে দিয়েছে। স্কোরবোর্ডে ব্যবধান দাঁড়াল ২-০, আর স্কটিশের রূপনারায়ণ হৃদয় বেদনাবোধের অতলে আটকে গেল ।
দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে এসেও ব্রাজিলের সংঘবদ্ধ আক্রমণের ধার কমেনি। তারা আরও আত্মবিশ্বাসী ডানায় ভর করে আরও সৃজনশীল হয়ে ওঠে। ষাটতম মিনিটে ব্রুনো গুইমারেসের আরেকটি চমৎকার পাস থেকে ম্যাথিউস কুনহা গোল করে স্কটল্যান্ডের জালে ম্যাচের শেষ রায় লিখে দেয়। তবে আজকে সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তটি কোনো গোলের সঙ্গে জড়িত ছিল না। ম্যাচের পঁচাত্তরতম মিনিটে, যখন ব্রাজিলের বিজয় প্রায় নিশ্চিত, তখন দর্শকসারিতে হঠাৎ নন্দিত আবেগে এক উচ্ছ্বাসের ঢেউ বয়ে যায়। দীর্ঘ চোটের অন্ধকার সুড়ঙ্গ পেরিয়ে, বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে, দশ নম্বর জার্সি গায়ে মাঠে নামেন নেইমার জুনিয়র। সেই মুহূর্তে স্টেডিয়ামের গর্জন যেন কেবল একজন ফুটবলারের জন্য নয়, এক অসমাপ্ত স্বপ্নের প্রত্যাবর্তনের জন্য প্রসন্ন ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়, ফিরে পাওয়া এক স্বপ্নকে অভিবাদন জানাচ্ছিল। যেন অসংখ্য সমর্থকদের মনে অনেক দিন পরে খুশির বৃষ্টি নেমে এসেছে। যেন ফুটবল তার হারানো এক রাজপুত্রকে আবারও সবুজ ঘাসের রাজ্যে ফিরিয়ে এনেছে। আর সেই আবেগের সাক্ষী ছিল কানায় কানায় পূর্ণ হার্ড রক স্টেডিয়াম। কর্তৃপক্ষের ঘোষণায় জানা যায়, উপস্থিত ছিলেন ৬৪ হাজার ৪৭৮ জন দর্শক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই স্টেডিয়ামে এটিই ছিল প্রথম সম্পূর্ণ টিকিটবিক্রির ম্যাচ। প্রতিটি আসন পূর্ণ ছিল, প্রতিটি গ্যালারি ছিল প্রাণের স্পন্দনে প্রতিবিম্বময়। যেন এই স্টেডিয়ামে তারা কেবল একটি ম্যাচ দেখতে আসেননি, তারা এসেছে ধারনাতীত বেশে ইতিহাসের অবিস্মরণীয় মুহূর্তের সাথী হতে, যা ভবিষ্যতের স্মৃতিচারণায় কিংবদন্তির রূপ নেবে। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের এই ৩-০ ফ্রেমবন্দি জয় হচ্ছে এমনই এক শিল্পিত সন্ধ্যা, যেখানে ফুটবল আবারও রুপান্তরিত হয়েছে যে, বিশ্বকাপ কেবল প্রতিযোগিতা নয়, ফুটবল হচ্ছে আতরের মতো ছড়িয়ে পড়া এক সৌন্দর্যবোধ।
আরও পড়ুন
দেশ পুনর্গঠনে ‘থ্রি-আর’ কৌশল অনুসরণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক
বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার সূচনা হবে পরিবার ও কমিউনিটি থেকে: প্রধানমন্ত্রী
বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্যচুক্তিতে যুক্ত হওয়ার পথে বাংলাদেশ
এ সম্পর্কিত আরও
দাবি এক দফায় পরিণত হলে পরিস্থিতি ‘খুবই ভয়াবহ’ হবে: জামায়াত আমির
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, আঘাত হানতে পারে কোন অঞ্চলে?
রাজধানীর আড়াই শ চেকপোস্টে নিরাপত্তা জোরদার
চাঁদগাঁওয়ের ‘যৌথ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি’ ঘিরে প্রশ্ন
সর্বশেষ
দেশ পুনর্গঠনে ‘থ্রি-আর’ কৌশল অনুসরণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক
বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার সূচনা হবে পরিবার ও কমিউনিটি থেকে: প্রধানমন্ত্রী
বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্যচুক্তিতে যুক্ত হওয়ার পথে বাংলাদেশ
বোয়ালখালীতে কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন