বাংলাধারা প্রতিবেদন »
নগরীর খুলশী থানায় আত্মসমর্পণ করা ১৩ মামলার এক আসামি মোহাম্মদ বেলাল (৪৩) পুলিশের সাথে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে।
নিহত মোহাম্মদ বেলাল (৪৩) নগরীর আমবাগানে রেলওয়ে লোকোশেড কলোনির আব্দুল কাদেরের ছেলে। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মোহনপুর গ্রামে। তার বিরুদ্ধে খুলশী থানায় ১১টি ও অন্য থানায় ২টি মামলা ছিল।
বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে খুলশীর জালালাবাদ পাহাড়ে বন্দুকযুদ্ধে বেলালের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রনব চৌধুরী।
তিনি বলেন, বেলালকে নিয়ে জালালাবাদ পাহাড়ে অস্ত্র উদ্ধারে যায় পুলিশের একটি দল। এ সময় তাকে ছিনিয়ে নিতে তার সহযোগিরা পুলিশকে গুলি করলে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ বেলালকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি ও তিন রাউন্ড কার্তুজ এবং ৪টি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান ওসি।
এর আগে গতকাল বুধবার দুপুর ১টার দিকে বেলাল নিজেই খুলশী থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে।
পুলিশের তালিকায় ডাকাত বেলাল হিসেবে তার নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের খুলশী থানায় ১১টি এবং অন্য থানায় ২টি মামলা রয়েছে। এর বাইরে কুমিল্লার চান্দিনা থানায়ও তার বিরুদ্ধে ৩টি মামলা ছিল। ২টি মামলায় তার বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। বেলাল সরকারি জমি দখল, চাঁদাবাজি, খুনসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ ছিল। তাকে গ্রেফতারের জন্য দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিল পুলিশ।
জানা গেছে, বেলাল পাহাড়তলির ডাকাত ফরিদের সেকেন্ড ইন কমান্ড। পরিকল্পিত হত্যাকান্ডের শিকার কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন সোহেলের চাপের মুখে গ্রেপ্তার হন ফরিদ। ফরিদ জেলে গেলেও তার সাম্রাজ্য ধরে রেখেছিলো মুলত বেলাল। স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগ সমর্থিত পাহাড়তলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন হিরণের অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিল সে।
বাংলাধারা/এফএস/এমআর












