বাংলাধারা প্রতিবেদন »
রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে এনআইডি কার্ড বানিয়ে দেয়ার ঘটনায়
মোস্তফা ফারুক নামে নির্বাচন কমিশনের প্রকল্পের এক অস্থায়ী কর্মচারীকে গ্রেফতার করে তার বাসা থেকে দুইটি ল্যাপটপ, মডেম, পেনড্রাইভ, আইডি কার্ডের লেমিনেটিং সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ফারুককে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন
সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটরে উপ-কমিশনার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ। ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম প্রকল্পে কাজ করে মোস্তফা ফারুক। ফেনীর দমদমা লস্কর হাটে তার বাড়ি।
শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর দামপাড়া পুলিশ নাইনে সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ জানান, গত ১৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইনে কোতোয়ালী থানায় দায়ের করা মামলায় মোস্তফা ফারুককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার হামজারবাগের বাসা থেকে দুইটি ল্যাপটপ, ১টি মডেম, ১টি পেনড্রাইভ, ৩টি সিগন্যাচার প্যাড, আইডি কার্ডের লেমিনেটিং সরঞ্জাম ইত্যাদি উদ্ধার করা হয়।
তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফারুক বেশ কিছু গুরুত্বপুর্ণ তথ্য দিয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে নির্বাচন কমিশনের প্রকল্পে অস্থায়ী চাকরি করছে সে। কমিশনের বিভিন্ন অফিসে তার যাতায়াত ও যোগাযোগ ছিল। ক্যাম্প থেকে কয়েক ধাপে রোহিঙ্গাদের এনে কমিশনের নিম্নস্তরের অস্থায়ী কর্মীদের ব্যবহার করে ভোটার বানানো হতো।
মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, ফারুকের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ডেল মডেলের ল্যাপটপটি নির্বাচন কমিশনের বলে শনাক্ত করেছেন কমিশনের টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট। তবে ল্যাপটপের তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে। আমরা পেনড্রাইভে রোহিঙ্গাদের অনেক তথ্য পেয়েছি। সেগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, এ মামলায় তিন আসামিকে রিমান্ডে এন জিজ্ঞাসাবাদকালে ফারুকের নাম আসে। জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত অব্যাহত আছে।












