বাংলাধারা প্রতিবেদন »
এসএসসিতে একবার ফেল করেছেন। এইচএসসিতে দুইবার। তাই পড়ালেখায় আর এগুনোর সাহস দেখাননি জাহাঙ্গীর আলম। জীবিকার তাগিদে প্রথমে বাড়ির পাশেই একটা মুদির দোকান দেন। সেই দোকানে সুবিধা করতে না পারায় খুলে বসেন সিডি ক্যাসেটের দোকান।
এক বছরের মধ্যে সেই ব্যবসাও লাটে উঠলে কিছুদিন গার্মেন্টসের মালামাল বিক্রিও করেন। সেই সময়ই তার এক বন্ধু তাকে বুদ্ধি দেন লাখ টাকা ব্যবসায় বিনিয়োগ না করে হাজার দশেক টাকা খরচ করে লাখ টাকা ইনকাম করতে।
বন্ধুর পরামর্শে ২০ হাজার টাকা খরচ করে একটি ভিডিও ক্যামেরা এবং নিজের নামে ডোমেইন নিয়ে বনে যান টিভি চ্যানেল মালিক! খুলে বসেন আমার বাংলা টিভি নামের একটি অনলাইন টিভি চ্যানেল। চ্যানেল খুলেই বেপারোয়া জাহাঙ্গীর চাঁদাবাজি শুরু করেন। বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানকে সাংবাদিক পরিচয়ে ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নিতে থাকেন হাজার হাজার টাকা।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) একই কায়দায় চাঁদাবাজি করতে গিয়েছিলেন চট্টগ্রামের আদালত পাড়ায়। পরে সেখানকার আইনজীবীরা এক সহযোগীসহ জাহাঙ্গীরকে আটক করে কোতোয়ালী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সাংবাদিকতার নামে প্রতারণার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের কাছ থেকে ক্যামেরা, বিভিন্ন নামসর্বস্ব মিডিয়া এবং মানবাধিকার সংগঠনের আটটি ভিজিটিং কার্ড জব্দ করা হযয়েছে।
তিনি আরো বলেন, তাদের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।












