১৪ মার্চ ২০২৬

ডিসেম্বরে উৎপাদনে যাচ্ছে পায়রা কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র

বাংলাধারা ডেস্ক »

চলতি বছরের ডিসেম্বরে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাচ্ছে পায়রা কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ইতোমধ্যে ইন্দোনেশিয়া থেকে জাহাজে প্রথম কয়লার চালান পৌঁছেছে জেটিতে। কয়লা খালাস কার্যক্রম শুরু হওয়ায় পায়রা সমুদ্র বন্দরের আয় বেড়ে যাবে কয়েকগুণ।

পায়রা কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মূল উপাদান কয়লা এই প্রথম এমভি জিন হাই টং নামের জাহাজে ইন্দোনেশিয়া থেকে বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এসে পৌঁছায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটিতে। এখন কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কয়লা প্ল্যান্টে নিয়ে ডিসেম্বরেই উৎপাদন শুরু করতে পারবে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি।

পটুয়াখালী পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজয়ান ইকবাল খান বলেন, এই কয়লা দিয়ে আমরা কিছু পরীক্ষা-নিরিক্ষা করব। পরীক্ষা করার পর আমরা আশা করছি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারব।

প্রথম আসা জাহাজটির ধারণ ক্ষমতা ৭০ হাজার টন হলেও বন্দরে আসার চ্যানেলের নাব্য স্বল্পতায় কয়লা এসেছে মাত্র ২০ হাজার টন। দ্রুত নাব্য সমস্যার সমাধান করা হলে কয়লা আনতে পরিবহন খরচ কমে আসবে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।

শিপিং কনসাল্টেন্ট ক্যাপ্টেন জামান বলেন, সমুদ্রের ৮০ কিলোমিটার জায়গায় পানি নাই। পানি না থাকার ফলে আমাদের বেশি খরচ পড়বে।

শুধু নাব্য নয়, বন্দরের সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে ২০২২ সালে পূর্ণঙ্গাভাবে পায়রা বন্দরের কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানায় বন্দর কর্তৃপক্ষ।

পটুয়াখালী পায়রা বন্দরের মেরিন অ্যান্ড হারবার সদস্য কমোডোর সাইদুর রহমান বলেন, আশা করছি আগামী বছরের মার্চ এপ্রিল থেকে কাজ শুরু করব। ২০২২ থেকে পূর্ণাঙ্গ  বন্দর হিসেবে কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।

পায়রা বন্দরের পূর্ণাঙ্গ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে পণ্য খালাস কার্যক্রম শুরু হয়। গত ৪ বছরে ৩৩টি জাহাজের পণ্য খালাস করে ১০০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বাংলাধারা/এফএস/এমআর/টিএম

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ