বাংলাধারা ডেস্ক »
ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্পের ধারক ও বাহক, দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিন আজ। তিনি ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের মধুমতি নদী বিধৌত টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
জন্মদিনের প্রথম প্রহরেই নেতা-কর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন রাষ্ট্রীয় সফরে বর্তমানে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, টুইটারে তাঁর জন্মদিনে শুভকামনা জানাচ্ছেন দেশ-বিদেশের অসংখ্য অনুরাগী। তার ছবি আর শুভকামনার ফল্গুধারা বইছে ডিজিটাল দুনিয়ায়।
টানা তৃতীয়বার প্রধামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপালনরত শেখ হাসিনা’র জন্মদিনে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করছে ডিজিবাংলা পরিবার। একইসঙ্গে বাংলাদেশের স্বপ্নসারথীর ৭৩তম জন্মদিনে গুগল-কর্তৃপক্ষের কাছে বিশেষ ডুডল প্রকাশের দাবি জনাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি শুভেচ্ছা ফটোপোস্ট প্রকাশ করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। পোস্টে তিনি লিখেছেন- “২৮ সেপ্টেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৩তম জন্মদিনে জানাই প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছ।” এছাড়াও সকালে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর একটি ছবি শেয়ার করেছেন তিনি।
ভিয়েনায় বসে নিজের লেখা একটি কবিতা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। প্রতিষ্ঠান নামের ওই কবিতায় দলীয় নেতাকে উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেছেন- আপনি হয়ে গেছেন এখন/ পিতার বাংলাদেশ/ যা কিছু অন্যায় অসংগতি/ এবার হবেই শেষ।
এদিকে রাত ১২টা ৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। প্রধানমন্ত্রীর ছবি দিয়ে তিনি বদলে ফেলেছেন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইল। লিখেছেন- “শুভ জন্মদিন গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।”
আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন তাদের গ্রুপ পেজে ছবি দিয়ে প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য শুভকামনা করে জন্মদিন পালন করছে।
ফেসবুকে বঙ্গবন্ধু অনলাইন আর্কাইভ পেজে (https://www.facebook.com/BangaBandhu.OnlineArchive/) ‘শুভ জন্মদিন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা’ শিরোনামে এক মিনিটের একটি ভিডিও শুভেচ্ছা বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে “শুভ জন্মদিন জননেত্রী শেখ হাসিনা” শিরোনামে ২০ সেকেন্ডের ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করেছে। সেখানে বলিষ্ঠ কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে ঘোষিত হয়েছে- তুমি মানে গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার। সমৃদ্ধ বাংলাদেশের তুমিই রূপকার। এছাড়াও ফেসবুক পোস্টে শেখ হাসিনা-কে “বারবার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা ‘নীলকণ্ঠ পাখি’, মৃত্যুঞ্জয়ী মুক্তমানবী। তিমির হননের অভিযাত্রী, মাদার অব হিউম্যানিটি” উপাধি দেয়া হয়েছে।
কথা সাহিত্যিক আনিসুল হক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন- “কথা ছিল, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার হাতে তুলে দেবেন ক্রেস্ট, আর সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর আমাকে পরিয়ে দেবেন উত্তরীয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বললেন, কেন, নূর কেন উত্তরীয় দেবেন, আমি কেন নই। আমিও সঙ্গে সঙ্গে বললাম, আপা আপনি দিন, আপা আপনি দিন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উত্তরীয় পরিয়ে দিলেন। সেই হাসিময় মুহূর্তগুলো। শুভ জন্মদিন, বঙ্গবন্ধুকন্যা, শিল্পী-সাহিত্যিকদের প্রিয় প্রশ্রয়, বড় আপা, শেখ হাসিনা।”
আশরাফুল আলম খোকন লিখেছেন, “জাতির পিতার অনুপস্থিতিতে তিনিই আজ বাংলাদেশ। তিনি বিশ্বনন্দিত রাষ্ট্রনায়ক; আগামীর ভাবনায় দূরদৃষ্টিসম্পন্ন, সিদ্ধান্তে অবিচল, সুশাসনে ইস্পাত-কঠিন, মমতায় কুসুম কোমল, উদারতায় আকাশ-সমান, মানবতায় মাতৃসম। তিনি শেখ হাসিনা; বঙ্গবন্ধু-কন্যা।”
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আব্দুচ ছালাম লিখেছেন, শুভ জন্মদিন গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা নব পর্যায়ের বাংলাদেশের ইতিহাসের নির্মাতা। হিমাদ্রী শিখর সফলতার মূর্ত-স্মারক, উন্নয়নের কাণ্ডারি। উন্নত সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার। বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষার একান্ত বিশ্বস্ত ঠিকানা, বাঙালির বিশ্বজয়ের স্বপ্নসারথী।
এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে দেশের বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী সংস্থা, বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, সাধারণ জনগনও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁর সফলতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন।
অনেকেই আবার জাতিসংঘের চলতি অধিবেশনে ইউনিসেফ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যে ‘চ্যাম্পিয়ন অব স্কিল ডেভেলপমেন্ট ফর ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’ শীর্ষক পুরস্কার দিয়েছে সেই ছবি ও খবরটি শেয়ার করছেন।
ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রবক্তা স্বপ্নদর্শী এই নেত্রী ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণের পর থেকে দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে দলকে সুসংগঠিত করেন এবং ১৯৯৬ সালে প্রথম, ২০০৮ সালে দ্বিতীয় এবং ২০১৪ সালে তৃতীয় এবং ২০১৮ সালে চতুর্থ বারের মত নির্বাচনে জয়লাভ করে দলকে দেশের নেতৃত্বের আসনে বসাতে সক্ষম হন।
বাংলাধারা/এফএস/এমআর












