১৪ মার্চ ২০২৬

চার দিনের রিমান্ডে ‌সেলিম প্রধান

বাংলাধারা ডেস্ক »

গুলশান থানায় মাদক আইনে করা মামলায় অনলাইনে ক্যাসিনো খেলার মূলহোতা সেলিম প্রধানসহ তার দুই সহযোগীর ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর হাকিম মইনুল ইসলাম শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডপ্রাপ্ত অন্য দুই সহযোগী হলেন- আক্তারুজ্জামান ও রোকন।

রিমান্ড শুনানির আগে ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মণ্ডল মাদক মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।

গত বুধবার (২ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মন্ডলের আদালতে তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন ও সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন গুলশান থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আমিনুল ইসলাম। আদালত শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।

অপরদিকে তার বিরুদ্ধে গুলশান থানার মানি লন্ডারিং ও মাদক আইনের মামলার এজাহার গ্রহণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩ নভেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত।

বুধবার গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং ও মাদক আইনে তার বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করে র‌্যাব। এর আগে মঙ্গলবার অফিসে দুটি হরিণের চামড়া রাখায় সেলিম প্রধানকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থাই এয়ারওয়েজের ব্যাংককগামী একটি ফ্লাইট থেকে সেলিম প্রধানকে আটক করে র‌্যাব। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ফ্লাইট ছাড়ার আগমুহূর্তে তাকে আটক করা হয়।

এরপর সেলিম প্রধানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার গুলশানের কার্যালয় ও বনানীর বাসায় অভিযান চালান র‌্যাব সদস্যরা। এ অভিযানে ৪৮ বোতল বিদেশি মদ, ২৯ লাখ টাকা, ২৩টি দেশের মোট ৭৭ লাখ সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা, ১২টি পাসপোর্ট, দু’টি হরিণের চামড়া, তিনটি ব্যাংকের ৩২টি চেক ও অনলাইন গেমিং পরিচালনার একটি বড় সার্ভার জব্দ করা হয়।

পরেরদিন অভিযান শেষ করে র‌্যাব জানায়, অনলাইনে ক্যাসিনোতে জুয়াড়িদের টাকা তিনটি গেটওয়েতে জমা হতো। সেলিম প্রধানের সহকারী মো. আক্তারুজ্জামান প্রতি সপ্তাহে সেসব গেটওয়ের টাকা তুলে তিনটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করতেন। এরপর সেসব টাকা হুন্ডির মাধ্যমে বা ব্যক্তির সঙ্গে করে বিদেশে চলে যেতো। এমনকি, বিভিন্নভাবে লন্ডনেও টাকা পাঠিয়ে আসছিলেন সেলিম প্রধান।

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও

সর্বশেষ