বাংলাধারা প্রতিবেদন »
জাপান থেকে ৩ কনটেইনার জেপি শিট আমদানি করে ঢাকার আমদানিকারক আমানুল্লাহ আয়রন ট্রেডার্স। তবে খালাসকালে তা আটকে দিল কাস্টমস কর্মকর্তারা। অভিযোগ উঠেছে রাজস্ব ফাঁকি দিতে ভুয়া বিল অব এন্ট্রি ও রাজস্ব কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর নকল করে জেপি শিটের চালান খালাসের প্রক্রিয়া ছিল। যেখানে ৪৩ হাজার ৩০ কেজি পণ্যের পরিবর্তে দেখানো হয়েছে মাত্র ৩ হাজার কেজি পণ্য। অবশেষে পণ্য খালাসকালে কাস্টমস কর্মকর্তাদের জালে আটকা পড়ে ওই কোম্পানির পণ্যগুলো।
রোববার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পণ্য ভর্তি ট্রাক তিনটি (ঢাকা মেট্রো ট-২২৭৪২৮, ফেনী ট- ১১০৮০৩, ফেনী ট-১১০৭৮৮) কে আটক করে বন্দরের নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে এবি শেডের সামনে রাখা হয়েছে।
কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, ঢাকার আমদানিকারক আমানুল্লাহ আয়রন ট্রেডার্স জাপানের ৪৩ হাজার ৩০ কেজি জেপি শিটের ৩ কনটেইনার বন্দরে আসে। চৌমুহনীর স্ট্যান্ডার্ড ফ্রেইট চালানটি খালাসের সিএন্ডএফ এজেন্ট হিসেবে দায়িত্বে ছিল । চালানটি খালাসের জন্য একটি বিল অব এন্ট্রির কাগজ দাখিল যেখানে দেখানো হয় ৩ হাজার কেজি পণ্য। বাকি ৪০ হাজার কেজি পণ্য কম দেখানো হয়েছে। এক্ষেত্রে বন্দর ও কাস্টম হাউসের কোনো সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত কিনা এবং আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানের অতীত রেকর্ড ইত্যাদি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কাস্টমস হাউসের উপ কমিশনার নূর উদ্দিন মিলন জানান, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে একটি চালানের পণ্য ভর্তি ৩টি ট্রাক আটক করা হয়েছে। একইসাথে সিস্টেমে লক করে দেওয়া হয়েছে চালানটি যাতে কেউ খালাস নিতে না পারে। চালানটি অবৈধ উপায়ে খালাসের চেষ্টার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
বাংলাধারা/এফএস/এমআর/টিএম












