বাংলাধারা প্রতিবেদন »
নগরীতে লিবিয়ায় পাচারকালে ৫ জনকে উদ্ধার ও তিন মানব পাচাকারীকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছথেকে ১৫ টি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়।
রোববার (৬ অক্টোবর) সকালে গোপন সংবাদের মাধ্যমে নগরীর কতোয়ালী থানাধীন স্টেশন রোড এলাকার আবাসিক ‘হোটেল মিড টাউন’-এ অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার ও মানব পাচারকারীদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- নারায়ণগঞ্জের জগনাৎপুর উপজেলার আব্দুল হইয়ের ছেলে আতাউর রহমান (৩৮), নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার আলমগীর মিয়ার ছেলে মো. জাহাঙ্গীর আলম (২৬) এবং মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলার মো. সাফাজ উদ্দিন মৃধার ছেলে মো. জাহাঙ্গীর।
কতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন বলেন, কতোয়ালী থানার স্টেশন রোডের একটি হোটেল থেকে আমরা পাঁচজন ভিকটিমকে উদ্ধার করি এবং তাদেরকে যারা নিয়ে আসছিল তদের চক্রের তিনজনকে আটক করি এবং তাদের কাছ থেকে ১৫টি বাংলাদেশী পাসপোর্টও উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃতদের অধিকংশের বাড়ী ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা, দুই জনের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া বলে জানান তিনি।
‘উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে লিবিয়া নেয়ার জন্য বিভিন্ন জায়গা হতে চট্টগ্রামে নিয়ে এসেছে এই দালালচাক্র। চট্টগ্রাম আন্তজার্তিক বিমান বন্দর দিয়ে প্রথমে দুবাই, সেখান থেকে মিশর, তারপর সড়ক পথে লিবিয়ায় নিয়ে যাবে। লিবিয়ায় যাওয়ার পর তাদেরকে ভাল কাজ দিবে’ জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় বলে জানান কতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মোহাম্মদ মহসিন।
ওসি মহসিন আরও বলেন, আসামীরা ভুক্তভোগীদের বিভিন্ন কৌশলে মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে তাদের স্বল্প খরচে অবৈধভাবে লিবিয়া নেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে বিভিন্ন অংকের টাকা হতিয়ে নিয়েছে এবং লিবিয়া গিয়ে তাদের মাধ্যমে বিভিন্ন কাজ করে অর্জিত অর্থ থেকে আসামীদের আরও অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
বাংলাধারা/এফএস/এমআর/এএ












