বাংলাধারা প্রতিবেদন »
হাটহাজারী উপজেলার ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের ৮ নং মাহমুদাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে ৫ বছর আগে। এরপর থেকে একটি পাকা এবং দুইটি অস্থায়ী শেড মত মোট তিনটি রুম নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল স্কুলটি। কিন্তু বৃষ্টি হলেই অত্র বিদ্যালয়ের অস্থায়ী শেডের ক্লাসরুম দুইটি কর্দমাক্ত হয়ে পড়ত। সেই কাদায় শিক্ষার্থীরা কেউ কেউ পা পিছলে পড়ে আহতও হয়েছে কয়েকবার।
কর্দমাক্ত ক্লাস রুম দুইটি বাদ দিলে ভাল ক্লাস রুম ছিল মাত্র একটি। বাকি দুইটা অস্থায়ী শেড ছিল জরাজীর্ণ, টিনের বেড়া জায়গায় জায়গায় ভাঙা,ভাঙা জানালাও। এরকম ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ছিল কম, ক্লাসে আসতে চাইতো না তারা।
ফেইসবুক মেসেঞ্জারে এই কর্দমাক্ত শ্রেনীকক্ষের ছবি তুলে ইউএনও কে পাঠান একজন সচেতন শিক্ষক। মেসেজ পাওয়ার সাথে সাথে গত বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন। এরপর ইউএনওর তত্ত্বাবধানে দীর্ঘ ২০ দিন টানা চলতে থাকে শ্রেনীকক্ষ দুইটার সংস্কার কাজ। পরিপাটি, মানসম্মত এবং শিক্ষার্থীদের ব্যবহার উপযোগী করে ক্লাসরুম দুইটি গড়ে তোলা হয়।
রুহুল আমিন বাংলাধারাকে জানান, আজ বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) ক্লাসরুম দুটি বাচ্চাদের পাঠদানের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। দুই লাখেরও বেশি টাকা ব্যয় করা হয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং উপজেলা প্রশাসন এই ব্যয় বহন করে।
বাংলাধারা/এফএস/এমআর/টিএম












