৩১ মার্চ ২০২৬

আবরার হত্যা মামলার আসামি মাজেদুল সিলেটে গ্রেপ্তার

বাংলাধারা ডেস্ক »

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বুয়েট শিক্ষার্থী মাজেদুল ইসলামকে সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ।

শুক্রবার (১১ অক্টোবর) ভোর চারটার দিকে আবরার হত্যা মামলার আট নম্বর আসামি মাজেদুল ইসলামকে সিলেট গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা-দক্ষিণ বিভাগের ধানমন্ডি জোনের একটি দল। সে বুয়েটের এমএমই বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনারের (ডিসি) মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ মামলায় এ নিয়ে মোট ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হল, তাদের মধ্যে ১৩ জন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

এদিকে চারজনের নাম মামলার এজাহারে না থাকলেও হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

গত ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরে বাংলা হলে ছাত্রলীগের কিছু সন্ত্রাসীর হাতে নির্দয় পিটুনির শিকার হয়ে মারা যান বুয়েটের মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদ। এ ঘটনায় গতকাল নিহতের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত করতে ডিবিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আবরার হত্যা মামলার আসামিরা হলেন, মেহেদী হাসান রাসেল (সিই বিভাগ, ১৩তম ব্যাচ), অনিক সরকার (মেকানিক্যাল ইঞ্জনিয়ারিং, ১৫তম ব্যাচ), ইফতি মোশারফ সকাল (বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৬তম ব্যাচ), মেহেদী হাসান রবিন (কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৫তম ব্যাচ), মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন (মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৫তম ব্যাচ), মুনতাসির আল জেমি (এমআই বিভাগ), মো. তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর (মেকানিক্যাল , ১৭তম ব্যাচ), মো. মোজাহিদুর রহমান (ইইই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), মুহতাসিম ফুয়াদ (১৪তম ব্যাচ, সিই বিভাগ), মনিরুজ্জামান মনির (ওয়াটার রিসোর্সেস ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৬তম ব্যাচ), মো. আকাশ হোসেন (সিই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), হোসেন মোহাম্মদ তোহা (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মাজেদুল ইসলাম (এমএমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মো. জিসান (ইইই বিভাগ, ১৬তম ব্যাচ), শামীম বিল্লাহ (মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মো. শাদাত (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), এহতেমামুল রাব্বি তানিম (সিই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মো. মোর্শেদ (এমই বিভাগ, ১৭তম ব্যাচ), মো. মোয়াজ (সিএসই, ১৭ ব্যাচ)।

এজাহারের আসামিদের মধ্যে মো. জিসান, শামীম বিল্লাহ, মো. শাদাত, এহতেমামুল রাব্বি তানিম, মো. মোর্শেদ ও মো. মোয়াজ এখনও পলাতক।

এছাড়াও এজাহারে নাম না থাকা চারজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। তারা হলেন- ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না (মেকানিক্যাল, তৃতীয় বর্ষ), অমিত সাহা (সিই), মিজানুর রহমান (ওয়াটার রিসোসের্স, ১৬ তম ব্যাচ) ও শামসুল আরেফিন রাফাত (মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং)।

বাংলাধারা/এফএস/এমআর

আরও পড়ুন