বাংলাধারা ডেস্ক »
তিন বছরের শিশু ছোঁয়া মনি। তার বাবার নাম সোহেল মিয়া, মা নাজমা বেগম। হবিগঞ্জের বানিয়াংয়ের বাসিন্দা তারা। মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) ভোরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মন্দবাগে মর্মান্তির ট্রেন দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তারা। আহত হয়েছিল তাদের কোলে থাকা শিশু সন্তান ছোঁয়া মনিও।
অন্যদের মতো তাদেরকে উদ্ধার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যান উদ্ধারকারীরা। এত বড় দুর্ঘটনার ধকল সইতে পারেনি তার ছোট শরীর। হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক জানান বেঁচে নেই ছোঁয়া মনি। তার বাবা-মা সোহলে ও নাজমার অবস্থা বেশি গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সে করে পাঠিয়ে দেয়া হয়।আর ছোঁয়া মনির নিথর দেহ পড়ে আছে আরেক হাসপাতালের মর্গে।
সোহেল ও নাজমাকে নিয়ে যখন ঢাকায় যাওয়া হচ্ছিল তখন ভাগ্নির মরদেহ বুঝে নিতে হাসপাতালের মর্গ আর পুলিশের কাছে দৌড়াদৌড়ি করছেন মামা জামাল মিয়া ।
ময়নাতদন্ত ছাড়া ছোঁয়া মনির মরদেহটি বাড়ি নিয়ে যেতে চান জামাল। মঙ্গলবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক বরাবর একটি আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন তিনি।
তাতে জামাল মিয়া বলেন, আনুমানিক তিন বছর বয়সী তার ভাগ্নি অধুনামৃত ছোঁয়া মনিকে ময়নাতদন্ত ছাড়া নিয়ে যেতে চান তিনি। ভাগ্নির মৃত্যুর ব্যাপারে পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ নেই। এ ঘটনায় কোনো প্রকার মামলা মোকদ্দমা করবেনা তিনি এবং পরিবারের লোকজন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ জানান জামাল মিয়া।
বাংলাধারা/এফএস/টিএম












